২৪ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করতে সক্ষম হয়েছে: মেয়র সাঈদ


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী

ঢাকাঃ কোরবানির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নগরীকে প্রায় বর্জ্যমুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।তিনি বলেন,এরই মধ্যে ১৭টি পশুর হাটের বর্জ্যসহ কোরবানি করা পশুর বর্জ্য মিলিয়ে প্রায় ১৬ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।তবে মেরাদিয়া বাজার,কমলাপুর স্টেডিয়ামসংলগ্ন বিশ্ব রোডের খালি জায়গা ও শনির আখড়া হাটের বর্জ্য ইজারাদারদের আসহযোগিতার কারণে এখনও পরিস্কার করা যায়নি। তারা বাঁশ খুঁটি সরিয়ে নেয়নি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি,তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করবো।’

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) বিকালে নগর ভবন প্রাঙ্গণে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিং এ মেয়র সাঈদ খোকন এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘পুরনো ঢাকাবাসীগণ ঈদুল আজহার দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দিনেও পশু কোরবানি দিয়ে থাকেন। তাই এ দুদিনে আরও ৫ হাজার টন বর্জ্য উৎপন্ন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ডিএসসিসি দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপসারণ করবে।’জানা যায়, গত বছর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে কোরবানির পশুর হাটের সংখ্যা ছিল ১৪টি। ঈদুল আজহার তৃতীয় দিনে করপোরেশনে মোট ১৯ হাজার ২শ’ টন বর্জ্য অপসারণ করেছিল।এই বিষয়ে মেয়র বলেন, ‘এবছর হাটের সংখ্যা ১৭টি। তাই বর্জ্যের পরিমাণও কিছুটা বেড়েছে। এবছর কোরবানির বর্জ্য অপসারণের পরিমাণ দাঁড়াবে ২১ হাজার মেট্রিক টন।’

মেয়র জানান, দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নগরীর বর্জ্য অপসারণ কাজে নিয়মিত মোট ৯ হাজার ৫শ’ জন পরিচ্ছন্ন কর্মী, ১৫২টি খোলা ট্রাক, ৮২টি কন্টেইনার বক্স,৬৯টি কন্টেইনার ক্যারিয়ার ,৮০টি ডাম্পিং ট্রাক, ২৯টি পানির গাড়ি, ২৩টি পে লোডার, ১২টি টায়ার ডোজারসহ নানা ধরনের যান ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া নাগরিকদের জন্য করপোরেশনের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে বর্জ্যব্যাগ সরবরাহ করা হয়েছে।এদিকে ডিএসসিসি আওতাধীন এলাকার নাগরিকদের কোরবানির বর্জ্য সংক্রান্ত অপসারণ সেবা পেতে ০৯৬১১০০০৯৯৯ হটলাইন নম্বরে ফোন করার অনুরোধ জানিয়েছেন মেয়র।

প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠানে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কলামিস্ট ও লেখক সৈয়দ আবুল মুকসুদ, করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তা‌ফিজুর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডোর জাহিদ হোসেনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। লেখক সৈয়দ আবুল মুকসুদ ডিএসসিসির কয়েকটি এলাকা ঘুরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। এছাড়া নগর ভবন থেকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে স্থাপন করা লাইভ মনিটরিং সেলে উপস্থিত থেকে এটিও পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.