কম বয়সীদের কাছে ছুরি বিক্রি করায় অর্থ দন্ড


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী

টাওয়ার হ্যামলেট্‌সঃ আঠারো বছরের কম বয়সী এক কিশোরীর কাছে ব্রেড কাটার চাকু বিক্রি করার অপরাধে একজন ব্যক্তিকে আদালত অর্থদন্ডে দন্ডিত করেছেন।১৮ জুলাই টেমস ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে শুনানিকালে উপস্থিত হয়ে আইল অব ডগস এর চিপকা স্ট্রিটের বাসিন্দা রাজ্জাক মিয়া (৩৯) তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের দোষ স্বীকার করে নিলে আদালত তাকে ১৩০ পাউন্ড জরিমানা এবং মামলার খরচ বাবদ ৮৫ পাউন্ড ও ভিক্টিম সারচার্জ বাবদ ৩০ পাউন্ড প্রদানের নির্দেশ দেন।মামলার বিবরণে জানা যায়,টাওয়ার হ্যামলেটস’ কাউন্সিল এবং পুলিশের যৌথ অভিযানের অংশ হিসেবে গত বছরের ১৮ নভে“র ক্যাস্টালিয়া স্কোয়ারের ডকল্যান্ডস হালাল গ্রোসার্সে ১৪ ও ১৫ বছর বয়সী দুই কিশোরী পুলিশ ক্যাডেটকে চাকু পরীক্ষামূলকভাবে কিনতে পাঠানো হয়।এসময় সেখানে ট্রেডিং স্ট্যান্ডার্ডস্ বিভাগের অফিসাররা উপস্থিত থেকে নিজ চোখে পুরো ঘটনাটি অবলোকন করেন।১৮ বছরের কম বয়সীদের কাছে ব্রেড নাইফ বিক্রির সময় বিক্রেতা তাদের বয়স জানার কিংবা সনাক্তকরণের কোন চেষ্টাই করেননি।অভিযুক্ত রাজ্জাক মিয়া প্রাথমিক পর্যায়ে নিজেকে ঐ দোকানে কর্মরত বুচারের বন্ধু হিসেবে পরিচয় দেন এবং প্রকৃত কর্মচারি জরুরী কাজে বাইরে যাওয়ায় তিনি তাদের সাহায্য করছিলেন বলে দাবি করেন।তবে শুনানির দিন আদালতে উপস্থিত হয়ে তিনি তাঁর দোষ স্বীকার করে নিলে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে জরিমানা করেন।

এদিকে ২৯ আগষ্ট মূল কোম্পানী আরইএইচ ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এর ডিরেক্টর কোম্পানীর পক্ষে আদালতে অপরাধের দায় স্বীকার করলে আদালত কোম্পানিকে ১৫৮ পাউন্ড জরিমানা এবং আইনী খরচ বাবদ ১৫৬১ পাউন্ড ও ভিক্টিম সারচার্জ বাবদ ৩০ পাউন্ড পরিশোধের নির্দেশ দেন।এই ঘটনার পর মি.আহমদ তাঁর দোকানে ক্রেতার বয়স চ্যালেঞ্জ করার নীতি কার্যকর ও বিক্রি না করার লগবুক রাখার ব্যবস্থা করেন।তিনি তার দোকানে ছুরি চাকু বিক্রিই বন্ধ করে দিয়েছেন বলে জানান।এ প্রসঙ্গে মেয়র অব টাওয়ার হ্যামলেটস্,জন বিগস বলেন,টাওয়ার হ্যামলেটসের রাস্তাঘাটকে নিরাপদ রাখতে আমাদের টিমগুলো যে পুলিশের সাথে ঘনিষ্টভাবে কাজ করে যাচ্চেছ, তার আরেকটি উদাহরণ হচ্চেছ এই দন্ড। গুরুত্বপূর্ণ এই কাজগুলো বারা থেকে অপরাধ নির্মুলে সাহায্য করবে।
ডেপুটি মেয়র এবং কেবিনেট মেম্বর ফর কমিউনিটি সেফটি এন্ড ইকুয়েলিটিজ, কাউন্সিলর আসমা বেগম বলেন, বাচ্চাদের কাছে ছুরি চাকু বিক্রির পরিণাম যে ভয়াবহ হতে পারে সেসম্পর্কে দোকানদারদের সচেতন থাকা উচিত। রাস্তাঘাটে কোথাও ছুরি চাকু পেলে পুলিশকে অবহিত করার জন্যও আমি বাসিন্দাদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.