ব্যর্থ অভ্যুত্থানের বার্ষিকীতে আবেগাপ্লুত এরদোয়ান


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তুরস্কে অভ্যুত্থান চেষ্টার বর্ষপূর্তি আজ। গত বছরের এই দিনে ব্যর্থ অভ্যুত্থানে প্রাণ হারান অন্তত ২৬০ জন। আহত হন দুই সহস্রাধিক।

২০১৬ সালের ১৫ জুলাই তুর্কি সেনাবাহিনীর একটি অংশ প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিতে চেষ্টা চালায়। কিন্তু তাদের সে উদ্যোগ ব্যর্থ হয়।ওই ব্যর্থ অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে দেশটিতে র‌্যালি ও সভাসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। অভ্যুত্থান চেষ্টাকালে গত বছর যে সময়ে বোমা বিস্ফোরণ ঘটেছিল আজ ঠিক ওই সময়টাতে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখবেন।দিনটিকে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা করা হয়েছে। ওই দিন ইস্তাম্বুলে বসফরাস সেতুতে যেখানে সেনা সদস্যদের মুখোমুখি হয়েছিল জনতা সেখানে এক র‌্যালিতে যোগদানের কথা রয়েছে এরদোয়ানের।গত বছর অভ্যুত্থান চেষ্টার ওই ঘটনার পর তুরস্কের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের দেড় লক্ষাধিক কর্মীকে অব্যাহতি দেয় এরদোয়ান সরকার। ব্যর্থ ওই অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতেও সে ধারা বলবৎ রয়েছে। সে সময়ে অন্তত ৫০ হাজার জনকে আটকও করা হয়।এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। কিন্তু সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে এরদোয়ান প্রশাসন বলছে, অভ্যুত্থান সমর্থকদের মূলোৎপাটন করতেই এটা করা হচ্ছে।

সমালোচকরা বলছেন, রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন করার জন্য এরদোয়ান সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে। গত সপ্তাহে কয়েক লাখ লোক ইস্তাম্বুলে সরকারবিরোধী বিক্ষোভও করেছে। তখন বিরোধী রাজনীতিক কামাল কিলিসদারোগলু অভ্যুত্থান চেষ্টার সমালোচনা করেন। তবে তিনি বলেন, অভ্যুত্থান চেষ্টার পর থেকে এরদোয়ান যেসব পদক্ষেপ নিয়েছেন তা ‘দ্বিতীয় অভ্যুত্থান’।কিন্তু বিরোধী নেতার অভিযোগ খণ্ডন করে এ র‌্যালিতে অংশগ্রহণকারীদের সন্ত্রাসবাদের সমর্থক হিসেবে অভিহিত করেন এরদোয়ান।অভ্যুত্থানের দিন বিদেশ সফর থেকে দেশে ফিরছিলেন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে জনপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে বিমানে বসেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে একটি ভিডিওবার্তা পাঠান তিনি। এই বার্তা পেয়ে জনতা রাস্তায় নেমে এলে অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়।এদিকে ওই অভ্যুত্থানের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লাহ গুলেনকে দায়ী করেন এরদোয়ান। কিন্তু গুলেন অভ্যুত্থানের সঙ্গে তার কোনো রকমের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেন। তুরস্ক সরকার অনেক দিন থেকেই গুলেনকে ফেরত পাঠানোর জন্য বললেও যুক্তরাষ্ট্র তা প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *