প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর কোলে শরণার্থী ট্রুডো


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ট্রুডোর কোলে ট্রুডো। শান্তিতে ঘুমাচ্ছে অবুঝ ট্রুডো। কোল আগলে আছেন প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো। এই শান্তি শরণার্থীদের। ট্রুডোর দেশে আসা সবার। তিনি কাউকে বিতাড়ন করেননি। ট্রাম্পের ধাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া, দিশেহারা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছেন। দিশেহারার দিশা ট্রুডো, ট্রাম্পের বিতাড়ন মন্ত্রে বিশ্বাসী নন।কানাডায় মিলেছে আশ্রয়। তাই সিরীয় বাবা-মা কৃতজ্ঞ। তাদের সন্তানের নাম দিয়েছেন জাস্টিন ট্রুডো। প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর প্রতি কৃতজ্ঞতা। আশ্রয় পেয়ে, বেঁচে থাকার স্বপ্ন পেয়ে, তারা খুশি।

শনিবার। ক্যালগারি স্টামপেডে। দুই মাসের ট্রুডো। পুরো নাম জাস্টিন ট্রুডো অ্যাডাম বিলান। তাকে কোলে তুলে নিলেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। আদর করলেন। শিশুটি তখন শান্তিতে ঘুমিয়ে। পাশে তার মায়ের মুখে বাঁধভাঙা হাসি।

ছোট্ট ট্রুডোর বাবা-মা, যারা কানাডায় এসেছেন কয়েক মাস আগে। সিরিয়ার দামেস্কোর বাসিন্দা ছিলেন। গৃহযুদ্ধে ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। বাঁচায় আশায় দেশ ছেড়েছেন। কানাডায় পেয়েছেন আশ্রয়। ফেব্রুয়ারিতে মন্ট্রিলে পা রাখেন তারা। সেদিন প্রধানমন্ত্রীর অভ্যর্থনা তারা পাননি, যেমনটি তিনি করে থাকেন। তবু কৃতজ্ঞতা জানাতে চাইছিলেন তারা। সিদ্ধান্ত নিলেন, ছেলের নাম রাখবেন প্রধানমন্ত্রীর নামে। তাতে তাকে ধন্যবাদ জানানো হবে।

নভেম্বর ২০১৫ থেকে জানুয়ারি ২০১৭। এ সময়ে কানাডায় আশ্রয় পেয়েছেন ৪০ হাজার সিরীয় শরণার্থী। এদের ১ হাজার ক্যালগারিতে আশ্রয় পেয়েছেন।চলতি বছরের জানুয়ারি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিলেন। তখন ট্রুডো হাত বাড়িয়ে দিলেন। নিশ্চয়তা দিলেন- কানাডার দরজা সবার জন্য খোলা। তার খোলা দরজা দিয়ে যারা এসেছেন, তাদের সবাই খুশি, কৃতজ্ঞ।চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস। অন্টারিওতে ঘটেছিল এমন আরেক ঘটনা। এক দম্পতি নবজাতকের নাম দিলেন জাস্টিন। শুধুই প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে।
ট্রুডোরা ইতিহাস হয়ে থাকুক।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *