ট্রাম্পকে ঠেকাতে লাখো ব্রিটিশের পিটিশনে প্রধানমন্ত্রীর ‘না’


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

যুক্তরাজ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাষ্ট্রীয় সফর ঠেকাতে লাখ লাখ মানুষের সই করা পিটিশন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে। সরকার এটি ‘সমর্থন করে না’ বলে জানিয়েছেন তিনি।ট্রাম্পের শরণার্থী পুনর্বাসন ও মুসলিমপ্রধান সাত দেশের নাগরিকদের উপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পর যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের একটি অংশ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে।রাষ্ট্রীয় সফরে তার যুক্তরাজ্যে ভ্রমণ ঠেকানোর জন্য এক পিটিশনে ১৮ লাখের বেশি মানুষ সই করে। এতে করে বিষয়টি নিয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি পার্লামেন্টে বিতর্ক হওয়ার পট প্রস্তুত হয়।

যুক্তরাজ্যে কোনো পিটিশনে ১০ লাখের বেশি মানুষ সই করলে হাউজ অব কমন্সে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক অনুষ্ঠানের কথা বিবেচনা করা হয়। তবে ওই বিতর্কে যাওয়ার পথে বিষয়টি নিয়ে  কোনও একটি অবস্থান নেওয়ার অধিকার যুক্তরাজ্য সরকারের আছে।

এনডিটিভি জানায়, প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে’র কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে ‘পূর্ণ সৌজন্য দেখানোতেই’ বিশ্বাস করে যুক্তরাজ্য সরকার।

“দিনক্ষণ ঠিক করা এবং আয়োজন চূড়ান্ত হয়ে গেলে আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষায়ই থাকব। (মহামান্য রানির) সরকার এই পিটিশনে সাক্ষরকারীদের দৃঢ় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু এ পিটিশন সরকার সমর্থন করে না।”

“২৭ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় যুক্তরাজ্যের মহামান্য রানি এলিজাবেথের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে এ বছরের শেষ দিকে লন্ডনে রাষ্ট্রীয় সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান। এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করা হয়েছে। এ আমন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্কের গুরুত্বকে প্রতিফলিত করছে। যদিও এখনও রাষ্ট্রীয় সফরের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।”
এর বছর অগাস্ট-সেপ্টেম্বর নাগাদ রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাজ্যে যেতে পারেন ট্রাম্প। ওই সফরকে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ ও বিতর্ক হতে পারে বলে যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যমে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।এরই মধ্যে হাউজ অব কমন্সের স্পিকার জন বেরকাউ ট্রাম্পের রাষ্ট্রীয় সফরের বিরোধিতা করে মন্তব্য করে সমালোচিত হয়েছেন।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *