প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পেকে রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ প্রত্যাহারের আহবান জানিয়েছেন টাওয়ার হ্যামলেটসের সাবেক ডেপুটি মেয়র


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী

যুক্তরাজ্যঃ  ব্রিটেনের বহুল প্রচারিত দি গার্ডিয়ানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে, ট্রাম্পকে দেয়া রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ প্রত্যাহারের জন্য বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহবান জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও ধর্মীয় নেতাসহ ৩৮ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি। সেই সাথে উগ্র ডানপন্থী গ্রুপের নেতিবাচক কর্মকান্ড গুরুত্ব সহকারে প্রতিহত করার আহবান জানিযেছেন তারা।উগ্র ডানপন্থী গ্রুপের দেয়া একটি বিদ্বেষমূলক ভিডিও বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পের একাউন্ট থেকে রি-টুইটেড করার প্রেক্ষিতে এ আহবান জানিয়েছেন তারা।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, উগ্রবাদী ডানপন্থী গ্রুপ ‘বৃটেন ফার্স্ট’-এর তৈরী একটি বিদ্বেষমূলক ভিডিও বার্তা রি-টুইটেড করার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট জে. ট্রাম্পের কর্মকান্ডে আমার চরম মর্মাহত। আমরা তার এ ধরনের কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা জানাই। তথাকথিত এই ভিডিও বার্তান সমাজের সকল সম্প্রদায়ের জন্যই আক্রমণাত্মক। সমাজে বিভক্তি সৃষ্টি এবং ঘৃণা ছড়ানোর হীন উদ্দেশ্যেই এই ভিডিও বার্তা ছড়ানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প ভুলবশতঃ এই ভিডিও বার্তা টুইট করে থাকলে সেজন্য দুঃখপ্রকাশ ও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার জন্য তিনি যথেষ্ট সুযোগ ও সময়ে পেয়েছেন। উপরš‘, যুক্তরাজ্য সরকারকে আক্রমণ ও গর্হিত এ কাজের সহযোগিতার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র কাছ থেকেও শালীন সমালোচনা পেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মি. ট্রাম্পের এ কর্মকান্ড চরম অস্বাভাবিক ও এর ব্যাপকতা অনেক বেশী। কারণ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সুদীর্ঘকালের গভীর সুসম্পর্ক বিদ্যমান। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ কর্মকান্ড শিষ্টাচার বহির্ভূত বলে মনে করছেন অনেকেই। এমনকি, ডান ভাবধারার অনেকেও বলছেন, এ আচরণ খুবই আক্রমণাত্মক।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, মার্কিন নাগরিকদের আমরা সাধুবাদ জানাই কারণ, তাদের বেশীর ভাগই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতামতের সাথে একমত নন, যিনি নিজে দ্রুত বিশ্বব্যাপী এক হাস্যকর ব্যক্তি হিসেবে পরিগণিত হ”েছন।নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্ণবাদী গোষ্টির এ ভিডিও বার্তাকে উৎসাহিত করার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে তার প্রতি যুক্তরাজ্য সফরের রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণ প্রহ্যাহারের জন্য আমরা বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহবান জানা”িছ। বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক ডেপুটি মেয়র কাউন্সিলর ওহিদ আহমদ, সাবেক লন্ডন মেয়র কেন লিভিংস্টোন, লর্ড নাজির আহমদ, টাওয়ার হ্যামলেট্স এর মেথডিস্ট মিনিস্টার রেইড জন হেইস, ইস্ট লন্ডন সেন্ট্রাল সিনাগগের প্রেসিডেন্ট লিওন সিলভার, ইস্ট লন্ডন মসজিদের সিইও নজমুল হোসাইন, সেফ টাউনসেন্ড বা’আল টেফিল্লাহ বেইথ ক্লান ইসরায়েল, স্টেপনি সালভেশন আর্মি’র ইয়ান রিচার্ড ওয়াটকিন্স, শাহজাহান মসজিদের প্রধান ইমাম হাফিজ এম. সাঈদ হাশমী, আফ্রিকান এফেয়ার্স ফর জেরিমি করবিন নানা আসান্তে, ফেমিনিস্ট ফোরামের আমান্ডা সেবাস্টিয়ান, অপারেশন ব্ল্যাক ভোটের ডাইরেক্টর সিমন উলে, কাউন্সিলর ওলিউর রহমান, লেবার পার্টি, এনইসি’র সদস্য ক্রিস্টিন শোক্রফ্ট, স্টপ ওয়ার কোয়ালিশনের জন রিস, দি মনিটরিং গ্রুপের সুরেশ গ্রোভার, স্টপ ওয়ার কোয়ালিশনের লিন্ডসে জার্মান, কাউন্সিলর মাহবুব আলম, ইস্ট লন্ডন পিপল্স এসেম্বলীর পল হ্যান্স, ব্ল্যাকসক্স-এর লি জাসপার, বৃটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক শাহগীর বক্ত ফারুক, কাউন্সিলর মাইয়ুম মিয়া, হলবর্ন এন্ড সেইন্ট প্যানক্রাস সিএলপি’র রুথ এপলেটন, বৃটিশ বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ইয়াফর আলী, লন্ডনের মিনিস্টার অব রিলিজিওন আব্দুর রাহমান মাদানী, খেলাফত মজলিস, ইউকে সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল কাদির, দাওয়াতুল ইসলাম ইউকে’র এস. কাউসার, দারুল উম্মাহ মসজিদের বি. উদ্দিন,  পিসিএস ইউনিয়নের ভাইস চেয়ার মার্লিন ফার্নান্দেস, জিম ফাগান, সিলভিয়া ফিনজি, ফয়েস ফর জাস্টিসের আহবায়ক প্রফেসর ড. হাসনাত এম. হোসাইন, ইউনাইটেড ইস্ট এন্ডের ড. গ্লেইন রবিনস, জর্জ গ্রীণ স্কুলের অধ্যক্ষ জিল বেকার, নাজির আহমেদ, টাওয়ার হ্যামলেট্স কাউন্সিল অব মস্ক-এর চেয়ার হাফিজ মাওলানা শামসুল হক, নাওমী উমবর্ন ইদরিসি, এন গুডবার্ন ব্যারিষ্টার নাজির আহমদ প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *