ইরানে বন্দি ব্রিটিশ নারীর মুক্তির আন্দোলনে সাফল্য পেলেন টিউলিপ


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী

যুক্তরাজ্যঃ ইরানের কারাগারে বন্দি থাকা এক ব্রিটিশ নারীকে মুক্ত করতে দেশটির এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের আন্দোলন সফল হয়েছে। বৃহস্পতিবার নিজ নির্বাচনি আসনের বাসিন্দা ওই নারীর মুক্তির ঘোষণা উদযাপন করেন টিউলিপ।বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন এলাকার নারী নাজানিন জাগহারির মুক্তির জন্য ১৮ মাস ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন। ইরানে বন্দি নাজানিনকে জানানো হয়েছে, শিগগিরই তিনি মুক্তি পাবেন। তার আইনজীবী আশা করছেন, যুক্তরাজ্যে নিজ বাড়িতে ফিরে আসবেন এই নারী।দীর্ঘ আন্দোলন সফল হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় টিউলিপ বলেন, এই খবর আমাদের ইতিবাচক শক্তি যুগিয়েছে। এখন আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি এরপর কী ঘটবে।টিউলিপ আরও বলেন, যদিও আমরা এত তাড়াতাড়ি মুক্তির বিষয়টি উদযাপন করতে চাই না। তবু নাজানিনের মুক্তি আমাদের জন্য বড়দিনের সবচেয়ে উপযুক্ত উপহার। তার পরিবার যেখানে রয়েছে তিনিও সেখানে ফিরে আসবেন।জাগহারি-র‍্যাটক্লিফের পরিবার সব সময় তাকে নির্দোষ বলে দাবি করে আসছে। ব্রিটিশ ও ইরানি দ্বৈত নাগরিকত্বের অধিকারী নাজানিন টমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনে চাকরি করতেন। ২০১৬ সালের এপ্রিলে তিন বছরের মেয়ে গ্যাব্রিয়েলসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। তখন তিনি ছুটি কাটাচ্ছিলেন।

২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ইরানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে এই সাজা দেওয়া হয় বলে দাবি তেহরানের। এরপর থেকেই তেহরানের কুখ্যাত এভিন কারাগারে রয়েছেন তিনি।নাজানিন ও তার স্বামী রিচার্ড র‍্যাটক্লিফের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে হস্তক্ষেপের জন্য লবিং করে আসছিলেন টিউলিপি।রিচার্ড বলেন, ‘আমার খুব বেশি আশাবাদী হতে চাইছি না। স্থির থাকতে চাই। কারণ যদি সামনে আরও কিছু ঘটে।তিনি জানান, যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন এই মাসের শুরুতে ইরান সফর ও দেশটির সরকারের কাছে বিষয়টি তুলে ধরায় ‘পরিস্থিতি পাল্টে গেছে’।রিচার্ড আরও বলেন, নাজানিন এখনও কারাগারে কিন্তু সবকিছু ইতিবাচক বলে মনে হচ্ছে।গত মাসে বরিস জনসন দেশটির হাউস অব কমন্সের শুনানিতে বলেছিলেন, জাগারি-র‍্যাটক্লিফ দম্পতি ইরানে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন। এরপর থেকেই বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হতে শুরু করে। আশঙ্কা করা হয়েছিল, জনসনের বক্তব্যে নাজানিনের কারাদণ্ডের মেয়াদ দ্বিগুণ হতে পারে। পরে তিনি এই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চান। টিউলিপ সিদ্দিক তার পদত্যাগের দাবি তুলেছিলেন। তবে নাজানিনের মুক্তির জন্য কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের পর তিনি জনসনকে স্বাগত জানান।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *