প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন ‘বিএনপির কি নেতৃত্বের এতই দৈন্যদশা?’


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

অন্য পত্রিকা ডেস্ক
সত্যবাণী

ঢাকাঃ বিএনপি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন যাকে করা হল, সে ফেরারি আসামি, সে দেশেও নেই। এখানে আমার প্রশ্ন, বিএনপিতে কি একটাও নেতা নাই যাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন করা যেত?’ প্রধানমন্ত্রী আবারও প্রশ্ন করেন, ‘বিএনপির কি নেতৃত্বের এতই দৈন্যদশা?’

আজ সোমবার গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ইতালি সফর প্রসঙ্গে জানাতে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির একটি গঠনতন্ত্র আছে। আমি জানি না আপনাদের কাছে সেটা আছে কি না।’ উপস্থিত সাংবাদিক উদ্দেশে প্রশ্ন করেন প্রধানমন্ত্রী, ‘বিএনপির গঠনতন্ত্র কি আছে সবার কাছে?’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওটার (বিএনপির গঠনতন্ত্র) কিন্তু আসলে খোঁজও পাওয়া যায় না। আপনারা যদি তাঁদের গঠনতন্ত্রটা পড়েন আর পজিশনের লোক গুণে দেখেন দেখবেন গঠনতন্ত্র মানা হয় না। ওটার ধারও কেউ ধারে না।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘একটা সুবিধা তাঁদের (বিএনপি) গঠনতন্ত্রে আছে যিনি চেয়ারপারসন, তাঁর হাতে সব ক্ষমতা। যে ক্ষমতা আমারও নেই। অর্থাৎ আমাদের গঠনতন্ত্রে নেই। আমাদের গঠনতন্ত্রে  ক্ষমতা প্রেসিডিয়াম ও কার্যকরী কমিটির হাতে। চূড়ান্ত ক্ষমতা নিবে আমাদের কাউন্সিল।শেখ হাসিনা বলেন, ‘কথা নেই বার্তা নেই হঠাৎ সংশোধন করে দিল। দুর্নীতি, ফৌজদারি কার্যবিধি বা মামলায় আসামি হলে দলে থাকতে পারবে না। সেটা তারা সংশোধন করে নেয়।’

সরকারপ্রধান আরো বলেন, ‘এটা স্বাভাবিক একনম্বর ভাইস প্রেসিডেন্ট হবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন । কিন্তু এখানে দেখা গেল ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন যাকে করা হলো, সে ফেরারি আসামি, সে দেশেও নেই।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আর রাজনীতি করবে না তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে যে এই মুচলেকা দিয়ে দেশ ছেড়ে চলে গেল। এরপর  মামলায় শাস্তি হলো। মামলাগুলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে করা। আমেরিকার এফবিআইয়ের (কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা) তদন্তে ধরা পড়েছে তার দুর্নীতি। তারা স্বাক্ষী দিয়েছে। এরপর সাজাপ্রাপ্ত। তাকেই করা হলো ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন। বিএনপিতে এখন যে নেতারা আছে, যারা কর্মঠ সেখান থেকে কি একটা লোক খুঁজে পাওয়া গেল না যাকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা যেত?’

প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি গ্রেপ্তার হওয়ার পর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হয়েছিলেন জিল্লুর রহমান (প্রয়াত রাষ্ট্রপতি)। তিনি বলেন, ‘আমার বোনকেও করিনি, ছেলেকেও করিনি। প্রবাসী কাউকে করিনি। দেশের ভেতর থেকেই করেছি।জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে আছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয় তাঁর। কারাগারে যাওয়ার পর বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন করা হয়। একই মামলায় ১০ বছরের সাজা হয়েছে তারেক রহমানের। তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

সূত্র: এনটিভি

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *