‘গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য খালেদা জিয়ার মুক্তির বিকল্প নেই’


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

কবির আল মাহমুদ
সত্যবাণী

মাদ্রিদ,স্পেন থেকেঃ গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য খালেদা জিয়ার মুক্তির বিকল্প নেই।ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়েই দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে হবে।গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে হবে।গত সোমবার (২৬ মার্চ) স্পেনের রাজধানী  মাদ্রিদের  বাংলা টাউন রেষ্টুরেন্টে ৪৮ স্বাধীনতা  দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় স্পেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ এ কথা গুলো বলেন।আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন স্পেন বি এন পির  সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম মজুমদার।বিনপি নেতা  সোহেল ভূইয়া ও আবুজাফর রাসেলের সঞ্চালনায় আয়োজিত  সভায় শুভেচ্ছা  বক্তব্য দেন  মো: জাকির হোসেন চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন  স্পেন বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক আব্দুল কায়ূম পংকি,ডাক্তার দুলাল আহমেদ,বশির উদ্দীন্‌,আবুল খায়ের,সুহেল আহমেদ সামসু, সৈয়দ মাসুদুর রহমান নাসিম,তালাত মাহমুদ উজ্জল,মখলেছুর রহমান দিদার, রমিজ উদ্দীন, সাইফুল আলম,কাজী জসিম,আব্দুল আওয়াল খান,সাইফুল ইসলাম,ছানুর মিয়া ছা্‌দ,হুমায়ুন কবির রিগ্যান,শাওয়ন আহমেদ,জাকিরুল ইসলাম জাকি,আব্দুল মোতালিব বাবুল,কামরল হাছান,রুবেল ছামাদ,সাইফুল আলম আখলাছ প্রমুখ।সভাপতির বক্তব্যে  খোরশেদ আলম মজুমদার বলেন,এই স্বাধীনতা দিবসে আমাদেরকে আবারো একটি মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।এ যুদ্ধ রুদ্ধ গণতন্ত্র মুক্ত করার যুদ্ধ।এ যুদ্ধ দেশে গণতন্ত্র পুনঃ প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ। এ যুদ্ধ কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপার্সনকে কারামুক্ত করার যুদ্ধ।.এ যুদ্ধ মানুষের বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার যুদ্ধ। এ যুদ্ধ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিধান এবং ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ।তিনি বলেন,১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ দেশ স্বাধীনের জন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এ দেশের মানুষ।ঠিক ৪৭ বছর পর ২০১৮ সালের এই মার্চ মাসেই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেল স্বৈরাচার সরকার হিসেবে।যা আমরা বিগত ১০ বছর যাবত বলে আসছি তা এখন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
তিনি দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সনের একটি নির্দেশের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, কারো কোনো উস্কানি কিংবা প্রলোভনে না পড়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন চূড়ান্ত সফলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এগিয়ে যাওয়ার পথে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি জনগণের সমর্থন আর নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য ও বিশ্বাস।পরিশেষে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান,বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিক আন্দোলনে বিভিন্ন সময়ে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন সেসব নেতৃবৃন্দ, স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় যারা আত্মত্যাগ করেছেন সেইসব বীর এবং সর্বোপরি দেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন, যেসব ব্যক্তি ও পরিবারগুলো কষ্ট শিকার করেছেন কিংবা করছেন তাদেরকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং  দেশ জাতী ও জিয়া পরিবারের মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

45

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *