কোচিং সেন্টারগুলো চিরতরে বন্ধ করুন: দুদক চেয়ারম্যান


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী

ঢাকাঃ দেশের সকল কোচিং সেন্টরগুলো শুধু অবৈধ নয় দুর্নীতির আখড়াও। আমরা সরকার, ছাত্র-শিক্ষক, অভিবাবক সকলকে অনুরোধ জানাই আসুন, এই অবৈধ এবং দুর্নীতিগ্রস্ত কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধ করা উদ্যোগ গ্রহণ করি। যে কোনো মূল্যে সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং কোচিং বাণিজ্য চিরতরে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

শনিবার দুর্নীতি প্রতিরোধ সপ্তাহ-২০১৮ এর ষষ্ঠ দিনে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে দুদকের সততা সংঘের সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।দুদক চেয়ারম্যান শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, আপনারাই জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনাদের সুযোগ-সুবিধা, সামাজিক মর্যাদা, বেতন বৃদ্ধিসহ সকল প্রকার উন্নয়নে দুদক আপনাদের পাশে থাকবে। শ্রেণিকক্ষে এমন শিক্ষার ব্যবস্থা করুন যাতে আমাদের সন্তানদের  কোচিং সেন্টারে যেতে না হয়।

তিনি বলেন, সরকার বেতন বৃদ্ধি করেছে ঠিকই কিন্তু আমরা চাই শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, মর্যাদা আরো বৃদ্ধি করা হোক। গোল্ডম্যান সাচ এর এক রিপোর্টের উদ্ধৃতি করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, একবিংশ শতাব্দীতে যে এগারোটি দেশ বিশ্ব অর্থনীতিতে নেতৃত্ব দিবে, বাংলাদেশ এদের মধ্যে একটি দেশ হিসেবে থাকার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মের। প্রকৃত শিক্ষার মাধ্যমে জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে তাদের শক্তি, সক্ষমতা এবং সামর্থ্য অর্জন করতে হবে।তিনি বলেন, বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় তরুণ প্রজন্মকে মানবসম্পদে পরিণত করে জনতাত্ত্বিক লভ্যাংশ পেতে হলে অন্যান্য অনুষঙ্গের সাথে গুণগত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি সততা সংঘের সদস্যসহ সকল ছাত্র-ছাত্রীদের  উদ্দেশে বলেন, তোমরা এ প্লাস কিংবা ফলাফলের পিছনে না ছুটে পরিপূর্ণ এবং নির্মোহভাবে জ্ঞান অর্জনে মনোনিবেশ করো। তোমরাই হবে দেশের সবচেয়ে দক্ষ, সক্ষম এবং সামর্থবান অমূল্য মানবসম্পদ। তিনি সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলায়  কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষা বিস্তারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই দুদক চেয়ারম্যান সততা সংঘের সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। তিনি সততা সংঘের সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, ভবিষ্যতে দুদকের কার্যক্রম সততা সংঘের সদস্যদের মাধ্যমেই পরিচালিত হবে। এখানে উল্লেখ্য যে, দুর্নীতি দমন কমিশন তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সততা, নিষ্ঠাবোধ ও চারিত্রিক দৃঢ়তা সৃষ্টি করা;  দুর্নীতির বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা সৃষ্টি করা এবং সর্বোপরি গণসচেতনতা গড়ে তোলার কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে দেশের স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ইত্যাদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে  প্রায় ২৫ হাজার সততা সংঘ গঠন করেছে।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *