‘রমজানে বিকেল ৫টা থেকে রাত ১১টা সিএনজি স্টেশন বন্ধ’


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী

ঢাকাঃ গ্রীষ্ম মৌসুম ও আসন্ন রোজায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সিএনজি স্টেশনগুলো বিকাল পাঁচটা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এই ছয় ঘণ্টা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের সরবরাহ বাড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে খুব শিগগিরই নির্দেশনা জারি করা হবে বলে জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।বর্তমানে সিএনজি স্টেশনগুলোতে বিকাল পাঁচটা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকে। রোজার মাসে তা আরও  দুই ঘণ্টা বাড়ানো হচ্ছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,প্রতি বছরের মতো এবছরও ইফতার ও তারাবির নামাজের সময় বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে গরমের কারণেও বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে।এই বাড়তি চাহিদা পূরণে বাড়তি বিদ্যুতের প্রয়োজন হবে। সিএনজি স্টেশনের গ্যাস রেশনিং করে তা বাসাবাড়িতে দেওয়া হবে।বৃহস্পতিবার (৩ মে) বিদ্যুৎ ভবনে গ্রীষ্ম মৌসুম ও আসন্ন রোজার মাস সামনে রেখে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার বিষয়ে প্রস্তাব করেন বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। এসময় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মানসুর মো. ফয়জুল্লাহ, পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদসহ বিভিন্ন বিতরণ সংস্থার প্রতিনিধি এবং দোকান মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নসরুল হামিদ বলেন,বিপণী বিতানগুলোতে পরিমিত আলোকসজ্জা করা নিয়ে এবার আমাদের অতটা আপত্তি নেই।কেননা,এখন বিদ্যুতের পর্যাপ্ত উৎপাদন রয়েছে। এবারের রোজায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়ার সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এমাসে এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিড লাইনে যোগ হবে।সভায় বিদ্যুৎ সচিব আহমেদ কায়কাউস বলেন, ‘শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে রোজায় রাত আটটার মধ্যে বিপণী বিতান বন্ধের বিধিনিষেধ রয়েছে।তবে এবিষয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।এ বিষয়ে সিএনজি স্টেশন ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফারহান নূরের কাছে জানতে চাইলে  তিনি বলেন,বর্তমানে যে সময়ে সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকে, তাতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। গ্যাস না পেয়ে লম্বা লাইন হচ্ছে রাস্তায়। ওই সময় পরিবহন সংকট তৈরি হচ্ছে।’ তিনি জানান, মোট গ্যাসের মাত্র পাঁচ ভাগ দেওয়া হয় সিএনজিতে। এটি খুবই কম। এই গ্যাস দিয়ে মোট গ্যাসের ঘাটতি তো পূরণ করা যাবে না।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *