বাংলাদেশ ভবনের মিউজিয়াম এবং গ্রন্থাগার দ্রুত খুলছে, জানালো বিশ্বভারতী


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

রক্তিম দাশ
কন্ট্রিবিউটিং এডিটর,সত্যবাণী

কলকাতা থেকেঃ শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের মিউজিয়াম এবং গ্রন্থাগারের দায়িত্ব ন্যাশানাল কনস্ট্রাকসন কোম্পানি বিশ্বভারতী কতৃপক্ষের হাতে তুলে দিয়েছে।বৃহস্পতিবার ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সবুজকলি সেনের উপস্থিতে এই দ্বায়িত্বভার হস্তান্তর করা হয়।পরে উপাচার্য মিউজিয়াম এবং গ্রন্থাগার ঘুরে দেখেন এবং জানান,খুব তড়াতাড়ি মিজিয়াম এবং গ্রন্থাগার সর্বসাধারনের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য,গত ২৫মে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় ২৫ কোটি টাকা খরচ করে এই ভবন তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু উদ্বোধন  হলেও ভবনের একাধিক কাজ বাকি ছিল।ভারত সরকারের ন্যাশানাল কনস্ট্রাকসন কোম্পানি এই ভবন তৈরির দায়িত্বে রয়েছে। পর্যটকদের কাছে এই ভবনের সব থেকে বড় আর্কষন মিউজিয়াম এবং গ্রন্থাগার।এই মিউজিয়ামে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে তুলে ধরা হয়েছ।বঙ্গবন্ধু কি ভাবে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে ছিলেন,কিভাবে পাকিস্থানি সেনা বাংলাদেশের সাধারন মানুষের উপর অত্যাচার করে ছিল তা তুলে ধরা হয়েছে।
এখানে রয়েছে,মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ডাক টিকিট,বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সরকারের একাধিক নির্দেশ।এমনকি মুক্তিযুদ্ধ আন্দোলনের সময় বাংলাদেশ থেকে শান্তিনিকেতন পর্যন্ত যে পদযাত্রা হয়ে ছিল আর খন্ডখন্ড চিত্র উঠে এসেছে এই জাদুঘরে।
একই ভাবে শাহাজাদপুরে ঠাকুর পরিবারের কাচারি বাড়িতে প্রাপ্ত কবিগুরুর স্মৃতি বিজরিত কেরসিন বাতি,ঢাকনাযুক্ত বাটি,লবনদানি এখানে প্রদর্শনির জন্য রাখা হয়েছে। এছাড়াও সুলতান যুগের বিভিন্ন মুদ্রা, ব্রিটিশ মুদ্রা পনেরো-ষোল শতকের মাটি খনন করে প্রাপ্ত টেরাকোটার মূর্তি রয়েছে।
একই ভাবে গ্রন্থাগারে রয়েছে,বাংলাদেশের ইতিহাস,সমাজ ব্যবস্থা,মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা,বাংলাদেশে ঠাকুর পরিবারের ইতিহাস  সহ একাধিক বিষয়ের  বই।এই সব বই দুই দেশের গবেষণারত ছাত্রছাত্রীদের সাহায্য করবে।এই বিষয়ে বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সবুজকলি সেন বলেন,বাংলাদেশ ভবনের মিউজিয়াম এবং গ্রন্থাগারের ন্যাশানাল কনস্ট্রাকশন কোম্পানি থেকে বিশ্বভারতী হাতে নিয়েছে।এছাড়াও ভবনের বেশ কিছু কাজ এখনো বাকি। আমরা দ্রুত এই ভবনের মিউজিয়াম এবং গ্রন্থাগার সাধারন মানুষের হাতে তুলে দিতে চাই।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *