মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল সম্ভব নয়: সংসদে প্রধানমন্ত্রী


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী

জাতীয় সংসদ থেকেঃ কোটা আন্দোলনকারীদের মধ্যে যারা ভিসির বাড়িতে ভাঙচুর ও আক্রমণ করেছে তাদেরই গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তিনি বলেন,উচ্ছৃঙ্খলা কখনও বরদাশত করা যায় না।ভাঙচুরকারীরা ভিসির বাড়ির ক্যামেরার চিপস নিয়ে গেলেও আশপাশে থাকা ক্যামেরা দেখে তাদের একটা একটা করে খুঁজে বের করা হচ্ছে। যারা ভাঙচুর,অগ্নিসংযোগ ও আক্রমণ করেছে,তাদের তো ছাড়া হবে না।তাদেরকেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।তদন্ত করা হচ্ছে।অনেকে স্বীকারও করছে।যত আন্দোলনই হোক না কেন,এদের ছাড়া হবে না।তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই হবে।হাইকোর্টের রায় থাকায় মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করা সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের প্রসঙ্গ টেনে সরকার প্রধান বলেন,মুক্তিযোদ্ধাদের যে কোটা তাতে হাইকোর্টের রায় রয়ে গেছে।সেখানে হাইকোর্টের রায়ে আছে মুক্তিযোদ্ধাদের কোটা সংরক্ষিত থাকবে।তাহলে ওই কোটার বিষয়ে আমরা কীভাবে কোর্টের ওই রায় ভায়োলেট করবো।সেটা তো আমরা করতে পারছি না।এই রায় অবমাননা করে তখন তো আমি কনডেম্প অব কোর্টে পড়ে যাবো।এটা তো কেউ করতেই পারবে না।

এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন,যেখানে কোটা পূরণ হবে না,কোটার যেটা খালি থাকবে,তা মেধার তালিকা থেকে নিয়োগ হবে। এটা আমরা করে দিয়েছি।গত কয়েক বছর থেকেই এই প্রক্রিয়া চালু রয়েছে।কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন,কোটা নিয়ে আন্দোলন। এটা কী আন্দোলন নাকি। ঠিক তারা যে কী চায়, বারবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছে,সেটা কিন্তু সঠিকভাবে বলতে পারে না।আজকে আন্দোলন তারা করছে খুব ভালো কথা।বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন,ছেলেপুলে আন্দোলন করতেই পারে। কিন্তু ভিসির বাড়িতে আক্রমণ করে সেখানে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া,গাড়ি আগুন দিয়ে পোড়ানো,বাড়ি ভাঙচুর করা,বেডরুম পর্যন্ত পৌঁছে ভাঙচুর এবং লুটপাট করা,স্টিলের আলমারি ভেঙে গহনা,টাকাপয়সা সবকিছু লুটপাট করেছে।ভিসির পরিবার আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে লুকিয়ে থেকে প্রাণ বাঁচিয়েছেন।এটা কি কোনো শিক্ষার্থীর কাজ? এটা কি কোনো শিক্ষার্থী করতে পারে? কথায় কথায় বলে ক্লাস করবে না।ক্লাসে তালা দেয়।ক্ষতিগ্রস্ত কারা হবে? আমরা সেশনজট দূর করেছি।এদের কারণে এখন আবারো সেই সেশনজট।১৫ টাকা সিট ভাড়া আর ৩৮ টাকায় খাবার,কোথায় আছে পৃথিবীর।আজ নতুন নতুন হল বানিয়েছি।১৫ টাকা সিট ভাড়া আর ৩৮ টাকায় খাবার খেয়ে তারা লাফালাফি করে। তাহলে সিট ভাড়া আর খাবারের বাজার দর যা রয়েছে,তাদের তা দিতে হবে।সেটা তারা দিক।

তারা হলের গেট ভেঙে ফেলে দেবে।মধ্যরাতে হল থেকে ছাত্রীরা বেরিয়ে যাবে। আমার টেনশনে আমি বাঁচি না। আমি পুলিশকে, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বলেছি এই মেয়েদের যেন কোনো ক্ষতি না হয়।ভোর ৬টা পর্যন্ত জেগে থেকে যার যার হলে পৌঁছে যাওয়ার পর আমি ঘুমাতে গিয়েছি।তিনি বলেন,বলেছি, কোটা সংস্কার আমরা করবো।আমি তো বলেছি টোটাল কোটা বাদ দিতে।আমরা তো কেবিনেট সেক্রেটারিকে দিয়ে একটি কমিটিও করে দিয়েছি।তারা সেটা দেখছে।তাহলে এদের অসুবিধাটা কোথায়?

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *