ট্রাম্পের সমালোচনার জবাব দিয়েছেন লন্ডনের মেয়র সাদিক খান


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী

যুক্তরাজ্যঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনার জবাব দিয়েছেন লন্ডনের মেয়র সাদিক খান।বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি সানে প্রকাশিত এক সাক্ষাতকারে ট্রাম্প সাদিক খানকে ভয়াবহ আখ্যা দেন।জবাবে শুক্রবার সকালে বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাতকারে সাদিক খান বলেন,সন্ত্রাসবাদ পুরো ইউরোপে ছড়িয়ে পড়লেও ট্রাম্প শুধু তারই সমালোচনা করেন।
দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো  ব্রিটেন সফর করছেন ট্রাম্প।বৃহস্পতিবার তাকে সস্ত্রীক বেমিংহ্যাম প্রাসাদে লালগালিচা আমন্ত্রণ জানান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে।সেখানে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক  নিয়ে কথা বলার কথা দুই নেতার।এদিকে লন্ডনে আসাকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ ব্রিটিশরা ট্রাম্পের প্রতিকৃতিতে একটি কার্টুন বেলুন তৈরি করেছে।ট্রাম্প আসার পর সেটা নিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়েছে তারা।এই কর্মসূচির অনুমতিও দিয়েছেন সাদিক খান।
ডেইলি সানকে দেওয়া সাক্ষাতকারে ট্রাম্প বলেন,ইউরোপে লাখ লাখ মানুষকে ঢুকতে দেওয়া খুবই খারাপ।লন্ডনে আপনাদের একজন মেয়র আছে যে ভয়াবহ কাজ করছে।দেখুন কি পরিমাণ সন্ত্রাস হচ্ছে সেখানে।আমি মনে করি সন্ত্রাস মোকাবিলায় সে খুবই ব্যর্থ।তিনি বলেন,আমি মনে করি অপরাধ মোকাবিলায় তিনি মোটেও ভালো কাজ করতে পারেননি।আপনারা তাকালেই বুঝবেন যে কতটা ভয়াবহ কর্মকাণ্ড হচ্ছে সেখানে।সব অপরাধ টেনে নিয়ে আসছে তারা।’জবাবে সাদিক খান বিবিসিকে বলেন,সন্ত্রাসবাদ এখন বৈশ্বিক সমস্যা।পুরো ইউরোপই এই সংকটে রয়েছে। সাদিক বলেন,মজার বিষয় হলো ট্রাম্প আর বাকিসব শহরের সমালোচনা করছেন না।বরং আমার সমালোচনা করছেন।তিনি বলেন,অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়ায় কারণে বাড়ছে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য খুবই অসঙ্গতিপূর্ণ ও ভুল।লন্ডনের মেয়র বলেন, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসজুড়েই সন্ত্রাস বেড়েছে।সারাদেশে ২০ শতাংশ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়েছে। আর লন্ডনে বেড়েছে ৪ শতাংশ।আমাদের সবাইকেই এটা মোকাবিলা করতে হবে। আমরা সন্ত্রাসে লন্ডনে আমাদের ৭০ লাখ পাউন্ড ক্ষতি হয়েছে। আমি নিজে বিনিয়োগ করেছি ৪০ লাখ।আফ্রিকার অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়াতে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এমন দাবি খুবই অমূলক।এটার জবাব দেওয়া উচিত।’

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *