নিরাপত্তা সহযোগিতায় বাংলাদেশের সমর্থনের প্রশংসায় মার্কিন জেনারেল


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী

ওয়াশিংটন: জাতিসংঘ শান্তি রাক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহনীর নেতৃত্ব এবং অংশগ্রহণ আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়ের কাছে প্রশংসিত বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল গার্ড ব্যুরোর উপ-প্রধান লেফটেন্ট জেনারল ড্যানিয়েল আর হোকানসন। তিনি বলেন, জাতিসংঘ শান্তি মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশের ৭ হাজার সেনা ও পুলিশ সারা বিশ্বে নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় এবং চিকিৎসা সেবা ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদান রাখছে।

সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালন উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর আশ্রয় প্রদান ও তাদেরকে সব ধরনের মানবিক সহায়তা দেওয়ায় বাংলাদেশ অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। বুধবার বাংলাদেশ দূতাবাসে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানা যায়।বাংলাদেশের ৪৭তম সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালন উপলক্ষে মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মার্কিন জেনারেল হোকানসন গেস্ট অব অনার হিসাবে বক্তব্য রাখেন।
মার্কিন আর্মি রিজার্ভের উপ-প্রধান এসি রোপার অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে পেন্টাগনের প্রতিনিধিত্ব করেন।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং ডিফেন্স অ্যাটাসে ব্রিগেডিয়ার মঈনুল হাসানও বক্তব্য রাখেন।অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে হোকানসন ঢাকা- ওয়াশিংটন নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং বিশেষ করে ২০০৮ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও মার্কিন ন্যাশনাল গার্ডের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন,আমরা একসঙ্গে কাজ করছি। আমরা একে অন্যের কাছ থেকে শিখছি এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। অঞ্চলে ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিবেশে সংঘর্ষ বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট কোনও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দুটি বাহিনী এক সঙ্গে অধিক শক্তিশালি।তিনি বলেন,আমাদের নিরাপত্তা সহযোগিতা নিভর্র করছে আমাদের মধ্যে সমঝোতা এবং দুদেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বের ওপর।হোকানসন শুধু  বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা এবং নিরপত্তার ক্ষেত্রেই নয়,সমগ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দিন বলেন,সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে বাংলাদেশ গর্বিত।মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তাদের আত্মত্যাগ ও অবদান অতুলনীয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যেকোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ুজনিত দুর্যোগকালে অবিস্মরণীয় মানবিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।তিনি বলেন,বাংলাদেশ ও মার্কিন সহযোগিতায় দেশের অভ্যন্তরে এবং দেশের বাইরে নিরাপত্তা,সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ, চোরাচালান ও মানবপাচার এবং মাদক চোরাচালান বন্ধে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বিশেষ অবদান রাখছে।বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিকায়ন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করছে।অনুষ্ঠানে দূতাবাসের ডিফেন্স অ্যাটাসে রাষ্ট্রদূত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মঈনুল হাসান শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠানের অংশ বিশেষ স্ক্রিনে দেখানো হয় এবং দিবসটি উপলক্ষে একটি কেক কাটা হয়।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *