বাংলাদেশ ভবনের পরিচালনার খরচ চালাতে হিমসিম বিশ্বভারতীর, মন্ত্রীর কাছে চাওয়া হল আরও টাকা


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

রক্তিম দাশ
কন্ট্রিবিউটিং এডিটর,সত্যবাণী

কলকাতা থেকেঃ বাংলাদেশ ভবনের পরিচালনার খরচ চালাতে হিমসিম অবস্থা বিশ্বভারতীর কতৃপক্ষের।প্রতিমাসে বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে প্রায় ৭০ হাজার টাকা,তার উপর পরিচালনার খরচ।বাংলাদেশ সরকার করপাস ফান্ড হিসাবে ১০ কোটি টাকা দিলেও ভারত সরকার ১০কোটি কবে দেবে কেউ জানে না।আর এর মধ্যেই সোমবার বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ সঙ্গে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বৈঠকে বাংলাদেশে সরকারের কাছে করপাস ফান্ড হিসাবে আরও টাকা চাইল বিশ্বভারতী কতৃপক্ষ।
এই বিষয়ে বিশ্বভারতীর  উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বলেন,বাংলাদেশ ভবনের পরিচালনা নিয়ে মাননীয় মন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে।২১ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবস অনুষ্ঠানটি  যদি বাংলাদেশ ভবনে করা যায় তার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।সোমবার বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ সহ একটি বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল বিশ্বভারতীর উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করেন।তাদের মধ্যে বাংলাদেশ ভবনের পরিচালনা এবং কিভাবে ভবনটিকে বহুমুখী ভাবে ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচলা হয়।পরে মন্ত্রী বাংলাদেশ ভবন ঘুরে দেখেন।
বিশ্বভারতী সূত্রে জানা গিয়েছে এই ভবন তৈরির সময় পরিকল্পনা এবং নকশায় বেশ কিছু গলদের অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে শীততাপ নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থা।এই ব্যবস্থা এমন ভাবে করা হয়েছে যে,ভবনের গ্রন্থাগার বা মিউজিয়াম শীততাপ রাখতে গেলে গোটা ভবনের শীততাপ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে যায়।এর ফলে ব্যাপক বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে।কেন্দ্রীয়  নির্মান সংস্থা সিপিডব্লুডি সম্পূর্নভাবে এই ভবন বিশ্বভারতীকে এখনো হস্তান্তর না করারা জন্য ভবনের হল সহ ভবনের বেশ কিছু অংশ ব্যবহার করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ।এদিন কে এম খালিদ বলেন, বাংলাদেশ ভবনের পরিচালনা নিয়ে বিশ্বভারতী কতৃপক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত কথা হয়েছে। পাঠাগারটির উন্নয়নে কি করা যায় তা দেখা হবে।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *