বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন কলকাতার বাংলা নববর্ষ উদযাপন


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

রক্তিম দাশ
কন্ট্রিবিউটিং এডিটর,সত্যবাণী

কলকাতা থেকেঃ কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন অত্যন্ত উৎসব মুখর পরিবেশে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র মাধ্যমে রোববারদিনব্যাপী বাংলা ১৪২৬ এর আগমন উদযাপন শুরু করে। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’টি উপস্থিত দর্শক ও সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রীদের তৈরী মুখোশ ও রয়েল বেঙ্গল টাইগারসহ নানান প্রাণি সদৃশ সুসজ্জিত মুখোশ নিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রাটি দর্শকদের দৃষ্টি কেড়েছে।বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে মঙ্গল শোভাযাত্রাটি বাংলাদেশ গ্রন্থাগার ও তথ্য কেন্দ্র, ৩, সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ,কলকাতা-১৭ থেকে পার্কসার্কাস সেভেন পয়েন্ট ক্রসিং পার হয়ে এ.জি.সি বোস রোড হয়ে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।উপ-হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারি এবং কলকাতায় সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স-এর কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ কলকাতার কবি, সাহিত্যিক,রাজনীতিবিদ,বুদ্ধিজীবী ও বিভিন্ন পেশার মানুষ মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বাঙালির ঐতিহ্য নিয়ে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ উপ-হাইকমিশনের ঐতিহ্যমন্ডিত সুসজ্জিত প্রাঙ্গণে বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য ও আবহ রক্ষা করে মেলা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।এর মধ্যে নাগরদোলা,বায়োস্কোপ,পালকি,ও শিশুদের বিভিন্ন ধরণের খেলনার আয়োজন ছিল এই মেলায়।মেলায় এ ধরণের আয়োজনে উপস্থিত শিশু কিশোররা খুবই পুলকিত হয়।এ ছাড়া হাওয়াইমিঠাই,বাতাশা,মোয়া,মুরকী,বিভিন্ন প্রকারের পিঠা,ঝাল মুড়ি,পান্তা ও বিভিন্ন প্রকার ভর্তা,খিচুড়ী ইত্যাদির ব্যবস্থা করা হয়।সেই সাথে চলতে থাকে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।এই অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠানে কলকাতার বিশিষ্ট ব্যক্তিবগর্, বিভিন্ন বিদেশী মিশনের কূটনীতিক,সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বগণ উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত অতিথিদের উদ্দেশ্যে উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসান বলেন, প্রতিবারের ন্যায় এবারও কলকাতার রাজপথে মঙ্গল শোভাযাত্রায় মানুষ অংশগ্রহণ করে যে অভূতপূর্ব সাড়া দিয়েছেন তাতে আমি ভিষণভাবে মুগ্ধ। বাংলাদেশের ন্যায় ‘বাংলা নববর্ষ ১৪২৬’ এখানেও সুন্দরভাবে উদযাপিত হয়েছে।প্রতিবারই যেন এমনিভাবেই পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয় সে আশা ব্যাক্ত করেন উপ-হাইকমিশনার।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *