লাইফ সাপোর্টে কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দী


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী

বিনোদন ডেস্কঃ খ্যাতনামা কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।তাকে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়েছে।সোমবার দুপুর ১২টায় সুবীর নন্দীর ভাই শিল্পী তিমির নন্দী গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়ে বলেন,সিলেটে একটি অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে ট্রেনে ঢাকায় ফিরছিলেন শিল্পী। ট্রেনেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন।ট্রেন থেকে দ্রুত সিএমএমএইচ নিয়ে যাওয়া হয় গতরাতে।লাইফ সাপোর্টে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ৭২ ঘণ্টা অবজারভেশনে রাখা হয়েছে শিল্পীকে।তবে গতকালের চেয়ে আজ তার অবস্থা কিছুটা ভাল।

শিল্পী সুবীর নন্দীর মেয়ে ফাল্গুনী সাংবাদিকদের জানান,শুক্রবার সিলেটে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন শিল্পী সপরিবারে।অনুষ্ঠান শেষে রোববার রাতে সিলেট থেকে ঢাকায় ফিরছিলেন ট্রেনে।রাত ৯টার দিকে উত্তরার কাছাকাছি ট্রেন আসতেই হঠাৎ সুবীর নন্দীর শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে যায়।ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ট্রেন থেকে তাকে নামিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে দ্রুত সিএমএইচে নিয়ে যাওয়া হয়।গতরাত সাড়ে ১২টার দিকে শিল্পীর অবস্থা অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।শিল্পীর ঘনিষ্ঠ স্বজন তৃপ্তি কর জানান,রোববার রাতে সুবির নন্দীকে সিএমএইচের জরুরি বিভাগে নেওয়ার পর রাত ১১টার দিকে হার্ট অ্যাটাক হয় তার।দ্রুত লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয় শিল্পীকে।ফাল্গুনী জানান,দীর্ঘদিন ধরেই কিডনির অসুখে ভুগছেন তার বাবা।ল্যাবএইড হাসপাতালে নিয়মিত ডায়ালাইসিস করান শিল্পী।কিডনি ছাড়াও বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন সুবীর নন্দী।

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দী দীর্ঘ ৪০ বছরের ক্যারিয়ারে গেয়েছেন আড়াই হাজারেরও বেশি গান।বেতার থেকে টেলিভিশন,তারপর চলচ্চিত্রেও উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান।চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করে চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি।আর চলতি বছরে সংগীতে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করেছে কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দীকে।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *