স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান, শেখ হাসিনার


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী

ঢাকাঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানকেও এগিয়ে আসতে হবে।জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা সপ্তাহ-২০১৯’ উপলক্ষে সোমবার এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।সবার সুস্থতা নিশ্চিতকল্পে ‘স্বাস্থ্যসেবা অধিকার-শেখ হাসিনার অঙ্গীকার’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) থেকে ‘জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা সপ্তাহ’ পালিত হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।তিনি বলেন,বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নসহ স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যার সুফল জনগণ ইতোমধ্যে পেতে শুরু করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন,চিকিৎসা সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।স্বাস্থ্যখাতের সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ অর্জন করেছে এমডিজি অ্যাওয়ার্ড,সাউথ সাউথ অ্যাওয়ার্ড ও গ্যাভি অ্যাওয়ার্ডের মতো আন্তর্জাতিক পুরস্কার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন,দেশে চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন,অবকাঠামোগত উন্নয়ন, চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন, পর্যাপ্তসংখ্যক জনবল নিয়োগ,পরিবার পরিকল্পনা,নার্সিং সেবার উন্নয়ন,স্বাস্থ্যখাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার,আইন ও নীতিমালা প্রণয়নসহ স্বাস্থ্যখাতে সরকার ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেছে।ফলে সমাজের সব স্তরের জনগণের প্রয়োজনীয় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ভোগান্তি বহুলাংশে লাঘব হয়েছে।

তিনি বলেন,গ্রাম পর্যায়ে সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতি ৬ হাজার গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য একটি করে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করা হচ্ছে।এ পর্যন্ত নির্মিত প্রায় ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম চালু হয়েছে।প্রায় ১৪ হাজার প্রশিক্ষিত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারের (সিএইচসিপি) মাধ্যমে সারাদেশে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হচ্ছে।কমিউনিটি ক্লিনিকে ৩০ প্রকারের ওষুধ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,এ পর্যন্ত ৮৫ কোটিরও বেশি পরিদর্শনের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণ কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেছেন।স্বাস্থ্যখাতে সরকারের এ উদ্যোগ সারাবিশ্বে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।জনসাধারণের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিতদের দায়িত্ববোধ নিশ্চিত করতে জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা সপ্তাহ-২০১৯ পালন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।স্বাস্থ্যসেবা সপ্তাহ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *