রানীর দেয়া এমবিই খেতাবে ভূষিত হলেন এমদাদ তালুকদার, বিইম পেলেন নাঈম


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী

লন্ডন: এমবিই (মেম্বার অব দা মোস্ট এক্সিলেন্ট অর্ডার অব দা ব্রিটিশ এম্পায়ার) খেতাবে ভূষিত হয়েছেন টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের কমিউনিটি রিসোর্স অফিসার, এক সময়ের ব্যস্থ সংস্কৃতি কর্মী, লেখক এমদাদ তালুকদার। ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের ‘অফিসিয়েল’ জন্মদিনে এই বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করা হয় তাঁকে। রানির ৯৩তম জন্মদিন উপলক্ষে শনিবার ঘোষিত ছয়টি ক্যাটাগরিতে বিশেষ সম্মাননা পাওয়া ১ হাজার ৭৩ জন ব্যক্তির মধ্যে এমদাদ তালুকদার ছাড়াও ‘সেলফলেস ইউকে’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত চিকিৎসক নাঈম আহমদও রয়েছেন। তিনি পাচ্ছেন ব্রিটিশ এম্পায়ার মেডাল (বিইম)।

এমদাদ তালুকদার এবার এমবিই খেতাব পেয়েছেন একজন ফস্টার কেয়ারার (দত্তক গ্রহণকারী) হিসাবে অবদান রাখার জন্য। ৬৫ বছর বয়সী এমদাদ ব্রিটেন আসেন ১৯৮৯ সালে। তিনি টাওয়ার হ্যামলেটসে কাজ করছেন ২০০১ সাল থেকে। এর আগে কিছু দিন সোনালী ব্যাংকে এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন টয়েনবী হলেও কাজ করেছেন।

এমবিই খেতাব পাওয়ার অনুভূতি জানতে চাইলে এমদাদ তালুকদার সত্যবাণীকে বলেন, ‘যেকোন স্বীকৃতিই আনন্দের। আমি খুব খুশি’। তিনি বলেন, ‘কাজের মূল্যায়ন মানে দায়িত্ব বেড়ে যাওয়া। এই দায়িত্ব যেন সফলতার সাথে পালন করতে পারি, আজকের দিনে সবার কাছে এই দোয়াই চাই’। সমাজকর্মী হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার আগে লন্ডনে মঞ্চ নাটক, বাংলা সাহিত্য পরিষদ, পত্রপত্রিকায় লেখালেখির কারণেও বাঙালি কমিউনিটিতে পরিচিত ছিলেন এমদাদ ও তার স্ত্রী মাহফুজা তালুকদার। এই দম্পতি আড়াই বছরের একটি শিশুকে দত্তক নিয়েছিলেন, যার বয়স এখন একুশ বছর।

সম্মাননা পাওয়া আরেক ব্রিটিশ-বাংলাদেশী, লন্ডনের চেলসি অ্যান্ড ওয়েস্টমিনিস্টার এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্টে কর্মরত কনসালট্যান্ট রেডিওলজিস্ট ডা. নাঈম আহমদ ব্রিটিশ এম্পায়ার মেডাল পাচ্ছেন স্বাস্থ্য খাতে সেবামূলক ভূমিকার জন্য। কিংস কলেজ হাসপাতালে অ্যাকাডেমিক ফাউন্ডেশন ট্রেনিং শেষ করে এনএইচএস ন্যাশনাল মেডিকেল ডিরেক্টরের একজন ক্লিনিক্যাল ফেলো হিসাবে কাজ শুরু করেছিলেন নাঈম।

তার গড়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সেলফলেস ইউকে’ ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে ৩০ হাজারের বেশি মানুষকে বিনামূলে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে।পাশাপাশি ১১০০ মা ও শিশুকে স্বাস্থ্যসেবা এবং পাঁচ হাজারের বেশি স্কুল শিক্ষার্থীকে ওরাল কেয়ার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিয়েছে এ সংগঠন।

উল্লেখ্য, রানির জন্মদিন ২১ এপ্রিল হলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে তা উদযাপন করা হয় প্রতিবছর ৭ জুন। আর ওইদিনই সম্মাননার জন্য নামের তালিকা প্রকাশ করে ব্রিটিশ সরকার। এছাড়া বছরের শুরুতেও বিভিন্ন অঙ্গনে ভূমিকা রাখা ব্রিটিশ নাগরিকদের এক দফা সম্মাননা দেওয়া হয়, যা রানির নববর্ষের সম্মাননা হিসেবে পরিচিত।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *