জীবন যুদ্ধে হার না মানা এক সৈনিকের গল্প


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

হাসান তামিম
সত্যবাণী

অষ্ট্রিয়া: একজন সাধারণ মানুষের অসাধারণ হয়ে ওঠার পিছনে একটি গল্প থাকে।তেমনি এক গল্প হলো এটি।অথবা তারও কিছু বেশি।এই গল্প রূপকথাকে হার মানানো এক অপ্রতিরোধ্য কিশোরের জীবনযুদ্ধে জয়ী হবার গল্প।গ্রামের হিমেল বাতাস গায়ে মেখে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে বেড়ে ওঠা কিশোরের নাম আপেল আমিন কাওসার।

তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য তিনি এক বড় প্রেরণার উৎস।এদেশে যাঁরা এক হাতে,নিজের যোগ্যতাতেই এতদূরে এসেছেন,তাঁদের অন্যতম হলেন আপেল আমিন কাওসার।ইউরোপের মাল্টাতে প্রায় ১১ বছর আগে পাড়ি জমান জীবন যুদ্ধে হার না মানা এই সৈনিক।আপেল আমিন কাওসারের দেশের বাড়ি হচ্ছে পটুয়াখালী।পটুয়াখালীতে বেড়ে উঠেছেন আপেল আমিন কাওসার।জীবন খুবই আশ্চর্য ঘটনা র সম্মূখীন করে দেয় মানুষকে।মানুষ তার নিজ ভাগ্য বদলের আসায় কতো কিছুই না করছে।কেউ চাকরি,কেউ ব্যবসা,আবার কেউ পরিবার পরিজন ছেড়ে দূর প্রবাস।দিনথেকে রাত,রাত থেকে দিন এভাবেই পারিশ্রম করে যাচ্ছে প্রতিটা মানুষ।এতো পরিশ্রমের পরেও কি সবাই সফল হতে পারে? সবশেষে দেখা যায় গুটিকয়েক সফল মুখ।গুটিকয়েক সফল মানুষদের মধ্যে অন্যতম আপেল আমিন কাওসার।তিনি ২০১২ সালে সুরুচি ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট দিয়েই তাঁর প্রথম ব্যবসা শুরু করেন।এ ব্যবসায় তাঁর ভাগ্য বদল করে দেয়।যা ২০১৫/২০১৭/,২০১৮/২০১৯ সনের মধ্যে মাল্টা পুরষ্কার পেয়েছেন মাল্টা সরকারি সংগঠন থেকে।বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে এই রেস্টুরেন্টের।

মাল্টাতে ভালোই নাম ডাক রেস্টুরেন্টটির।ব্যবসার পাশাপাশি সামাজিক কার্যক্রম এর সাথেও জড়িত।অনেক ইচ্ছা দেশের জন্য ও দেশের মানুষের জন্য কিছু করার।তিনি মাল্টাতে বাংলাদেশী একটা কমিউনিটি প্রতিষ্ঠা করেন ২০১৭ সালে।কমিউনিটি  প্রতিষ্ঠা করার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশীদের জন্য কাজ করা।মাল্টাতে আওয়ামীলীগের কমিটি গঠনেও তার অনেক অবদান রয়েছে।তিনি মাল্টা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক পদে আছেন।মাল্টাতে বাংলাদেশীদের সেবামূলক কাজে সবসময় তিনি নিজেকে নিয়োজিত রাখেন।মাল্টা তথা বাংলাদেশেও বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম এ অংশগ্রহন করেন এবং তিনি সর্বদা ব্যবসার পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চান এটাই তার ইচ্ছা।পটুয়াখালীর কৃতি সন্তান মাল্টা আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক আপেল আমিন কাওসার বলেন,নিজস্ব অর্থে পদ্মার ওপর ৬ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ করার সাহস দেখাচ্ছে বাংলাদেশ।বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন থেকে সরে যাওয়ার পর বিশাল এ প্রকল্প হাতে নেয়ার ঘটনা অনেক দেশ ও সংস্থার সন্দেহ ও বিস্ময় প্রকাশ করলেও সে স্বপ্ন এখন দৃশ্যমান।এক লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা খরচ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করছে বাংলাদেশ।মেট্রোরেল,এলিভেটেট এক্সপ্রেসহ আরো কিছু বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার।দেশের প্রথম ৬ লেনের ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পন্ন হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচার কাজে সফলতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ।টানা তিন মেয়াদের ক্ষমতায় বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশ ও গোষ্ঠীর চাপ সত্ত্বেও শীর্ষস্থানীয় অপরাধীদের বিচার শেষে রায় কার্যকর করা হয়েছে। এই বিচার করতে পারা স্বাধীন বাংলাদেশকে কলঙ্কমুক্ত করার ক্ষেত্রে বড় সাফল্য। প্রবাসীদের এক কাতারে নিয়ে আসার মাধ্যমে এবং দেশে সঠিকভাবে রেমিটেন্স পাঠিয়ে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সামিল হতে চাই।তিনি আরো বলেন, দেশ কতটা উন্নয়ন হচ্ছে তা দেশের মানুষই জানে। প্রবাসী সহ দেশের সকল মানুষকে নিয়ে আমরা দেশের উন্নয়নের জন্য এক কাতারে দাড়াতে চাই।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *