যুক্তরাজ্যে নির্বাচন আজ, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস


Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

সত্যবাণী ডেস্ক : যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আজ। দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও কনজারভেটিভ পার্টির নেতা টেরিজা মে পুনরায় দেশটির রাষ্ট্রক্ষমতায় আসছেন, নাকি লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন—তা নির্ধারণ হবে আজ।

বৃহস্পতিবার দেশটির স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় (বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টায়) ভোট গ্রহণ শুরু হবে। রাত ১০টা পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় ভোররাত সাড়ে ৪টা) টানা ভোট গ্রহণ চলবে। প্রায় ৪০ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্রে এ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোট দেবেন চার কোটি সাত লাখ নিবন্ধিত ভোটার।নির্বাচনে মোট ৬৫০ জন মেম্বার অব পার্লামেন্ট নির্বাচিত হবেন। ২০১৫ সালের সাধারণ নির্বাচনে দেশটিতে নিবন্ধিত ভোটার ছিল ৪৬ দশমিক ৪ মিলিয়ন।আশা করা হচ্ছে, ভোট গ্রহণ শেষে মধ্যরাতেই কিছু আসনের ফল ঘোষণা করা হবে। এ ছাড়া নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা হতে পারে শুক্রবার বিকেলে।

এদিকে নির্বাচনের আগমুহূর্তে এসে জনপ্রিয়তার সূচক হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস দিচ্ছে। শেষ মুহূর্তে এসে নিজেদের অবস্থান দেখে হতাশ হতে হবে অন্যতম প্রধান দল কনজারভেটিভ পার্টির। কারণ, প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী লেবার পার্টির চেয়ে মাত্র এক পয়েন্টে এগিয়ে আছে তারা।জরিপ বলছে, জনপ্রিয়তার সূচকে কনজারভেটিভ পার্টি পেয়েছে ৪১ দশমিক ৫ পয়েন্ট। আর লেবার পার্টি পেয়েছে ৪০ দশমিক ৪ পয়েন্ট। গত মে মাসের শুরুতে ১৭ পয়েন্টে এগিয়ে ছিল কনজারভেটিভরা। এ ছাড়া লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ছয় পয়েন্ট ও ইউকে ইনডিপেনডেন্স পার্টি তিন পয়েন্ট করে পেয়েছে।

এদিকে শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় নিজেদের ব্যস্ত রেখেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও কনজারভেটিভ পার্টির নেতা টেরিজা মে ও লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন।নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন মে-করবিন। মে জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকা না থাকা তথা ব্রেক্সিট বিষয়ে তাঁর দলের সিদ্ধান্ত যুক্তরাজ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করবে। বাড়িয়ে দেবে বাসস্থান ও যোগাযোগের সুবিধা। এ ছাড়া সন্ত্রাসবাদ কমাতে প্রয়োজন হলে দেশটির মানবাধিকার আইনে পরিবর্তন আনবেন বলে জানিয়েছেন মে।এদিকে করবিন জানিয়েছেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে (এনএইচএস) রক্ষা করতে হাতে আছে মাত্র ২৪ ঘণ্টা। এ ছাড়া দেশটিতে পুলিশের সংখ্যা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্তকে সমালোচনা করেছেন তিনি।

সূত্র: এনটিভি

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Email this to someonePrint this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *