ডঃ আব্দুল হাই বন নগরীর বিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক কমিটির সদস্য নির্বাচিত
নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী
জার্মানি: জার্মানির বন সিটি কাউন্সিলের বিজ্ঞান,ইউরোপ ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এসপিডি রাজনীতিক ও সাংবাদিক ডঃ আব্দুল হাই।বৃহস্পতিবার বন সিটি কাউন্সিলের বিশেষ অধিবেশনে বন নগরীর সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে মোট ১৬টি পরিষদ গঠন করা হয়। এগুলোর মধ্যে বিজ্ঞান, ইউরোপ ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক পরিষদে সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এসপিডি) থেকে এল্কে আপেল্ট এবং ডঃ আব্দুল হাই নির্বাচিত হন।২১ সদস্য বিশিষ্ট এই পরিষদে এছাড়া সিডিইউ থেকে ৭ জন,সবুজ দল থেকে ৫ জন,বামদল থেকে ২ জন এবং এএফডি, বিবিবি,এফডিপি,ভোল্ট এবং বিএসডাব্লিউ/এসবিআই দলগুলোর প্রত্যেকটি থেকে একজন করে সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। এই পরিষদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত বন নগরীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি এবং ইউরোপীয় ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতামূলক ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বনের সাধারণ নাগরিকদের প্রতিনিধিত্ব করবে।
ডয়চে ভেলের সাবেক সাংবাদিক ডঃ আব্দুল হাই তাঁকে নগর পরিষদের এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করায় পরিষদের সদস্যদের এবং দলীয় নেতাকর্মীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য,ডঃ আব্দুল হাই ২০০৯ সাল থেকে বন নগরীর আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত এবং ২০২০ সাল থেকে সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির হার্টব্যার্গ শাখার কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।পেশাগত জীবনে তিনি ডয়েচে ভেলে, বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি),বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), ডেইলি স্টার এবং নিউ নেশনে প্রায় এক দশক ধরে কাজ করেছেন।অপর দুই সহকর্মীর সাথে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্য ২০১৬ সালে হোস্টরাইটার মিডিয়া পুরস্কার অর্জন করেন।২০১৭ সাল থেকে পাঁচ বছর ওয়ান ওয়ার্ল্ড নেটওয়ার্ক এনআরডব্লিউ-এ প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।তিনি বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী অর্ধশতাধিক নারী মুক্তিযোদ্ধার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এবং ডিডব্লিউ রেডিও প্রোগ্রামে সম্প্রচার করেছেন। বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচন এবং দারিদ্র্য নিরসনের কৌশল নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের জন্য তিনি ২০০৭ সালে প্যানোস ফেলোশিপ এবং প্যানোস পুরস্কার অর্জন করেন।এছাড়া তিনি লাইফ লার্নিং ডেভেলপমেন্ট,বাসুগ ডায়াসপোরা এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, সিসিডি বাংলাদেশ, প্যানোস এবং বাংলাদেশ এনজিও’স নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি) এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।