‘প্রিন্স’-ব্যর্থতায় শাকিব খানের দুঃখ প্রকাশ
নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী
বিনোদনঃ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিজেকে যেন নতুন করে আবিষ্কার করেন শাকিব খান।উপহার দিয়েছেন একের পর এক সুপারহিট সিনেমা।তবে এবার ঈদে মুক্তি পাওয়া তার ‘প্রিন্স’সিনেমাটি সফলতার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।দর্শক-ভক্ত-সমালোচকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি ঢালিউডের এই শীর্ষ নায়ক।সিনেমাটির বিভিন্ন টেকনিক্যাল জটিলতার কারণে ঈদের বাজারে মুক্তির প্রথম দিন থেকেই সিনেমাটি নানারকম সমালোচনার মুখে পড়ে। মুক্তির ১০ দিন পর জনসমক্ষে এসে শাকিব খান যেন এর দায় সময় ও পরিস্থিতির ওপরই বর্তান।৩১ মার্চ রাতে রাজধানীর উত্তরা সেন্টার পয়েন্টে অবস্থিত স্টার সিনেপ্লেক্স-এ বিশেষ প্রদর্শনী শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিনেমাটি নিয়ে কথা বলেন তিনি।এসময় শাকিব খান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ, প্রযোজক শিরিন সুলতানা,অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ ও জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, অভিনেতা ডা. এজাজ,ইন্তেখাব দিনারসহ অনেকে।অনুষ্ঠানে শাকিব খান বলেন, আমি যখন ‘প্রিন্স’ সিনেমার গল্প শুনেছি তখন মনে হয়েছিল এটি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সিনেমা হতে যাচ্ছে।হয়তো সময় স্বল্পতার কারণে আমরা সেটা করতে পারিনি। এজন্য নির্মাতাসহ সবার পক্ষ থেকে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি আমার পরবর্তী সিনেমাতে ত্রুটিগুলো খেয়াল করবো।
এরপর এই নায়ক বলেন,আমি ৩০টির বেশি গল্প শুনে একটি গল্প পছন্দ করি। বলতে গেলে,সারা বছরই গল্প শুনি।কিন্তু এবার যেটা হয়েছে সেটা ভিন্ন। আমরা তিন মাস ভারতে কাজের অনুমতি পাইনি। এরপর যা হয়েছে সেটা আরো ভয়াবহ।যেখানে আমাদের সিনেমার সেট ফেলা হয়েছিল সেটা ভেঙে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়।এখানেও অনেক সময় চলে গেছে। ফলে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত আমাদের কাজ করতে হয়েছে। যার কারণে সময়ের অভাবে অনেক ত্রুটি থেকে গেছে। হায়াত মাহমুদ অনেক ভালো ও মেধাবী একজন নির্মাতা।আমরা যদি উপযুক্ত সময় পেতাম তাহলে ভালো কিছু হতো।তিনি আরো বলেন, আমার জীবনের এইটা কোনো সিনেমা যেটার শুটিং ঈদের আগের দিন পর্যন্ত করেছি।তাসনিয়া ফারিণের সঙ্গে আইটেম গানের শুটিং ঈদের আগেই করেছি। এছাড়া পরী গানের শুটিং একদিনে শেষ করেছি।এগুলো হয়েছে শুধু সময়ের কারণে।প্রযুক্তিগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন তিনি।এই নায়ক জানান, মুক্তির পর প্রথম পাঁচ দিন মাল্টিপ্লেক্সে সিনেমাটি চলেনি,যা বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হয়েছে।তার কথায়,ঈদের পর পাঁচদিন আমরা মাল্টিপ্লেক্সে ঢুকতে পারিনি। এটা কষ্টের।