জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় দেশের জন্য বিপজ্জনক ,ইসলামী আন্দোলন

নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী

ঢাকাঃ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন,বাংলাদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার-বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় অফিস খোলার উদ্দেশ্য,কর্মপরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নে সহায়ক উপাদান সম্পর্কে দেশবাসীকে বিস্তারিত অবহিত না করে উপদেষ্টা পরিষদের এই বিষয়ে সম্মতি দেয়া আমাদেরকে বিস্মিত করেছে।গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন,বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় মানবাধিকার পশ্চিমাদের রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।বিশেষ করে জাতীসংঘের মতো একটা প্রতিষ্ঠান যাদের একচোখা নীতি বিশ্বব্যাপী নিন্দনীয়,যাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকারকে ভিন্নমত দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের দৃষ্টান্ত রয়েছে তাদের কার্যালয় খোলার অনুমতি প্রদান দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদে বিপদ ডেকে আনবে বলে আমরা মনে করি।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র বলেন, জাতীসংঘের মানবাধিকারের সংজ্ঞা সর্বজনবিদিত না বরং পশ্চিমা দর্শন প্রভাবিত;যা অনেক মাত্রাতেই বাংলাদেশসহ প্রাচ্যের সমাজ-দর্শন ও সংস্কৃতির সাথে সাংঘর্ষিক।

সলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান জাতিসংঘের মানবাধিকার দফতরের কিছু নীতির সমালোচনা করে বলেন,সমকামিতা,ট্রান্সজেন্ডার স্বীকৃতি,গর্ভপাতের অধিকার,নারী-পুরুষের সমান উত্তরাধিকার,যৌনশিক্ষা এবং মৃত্যুদণ্ড রহিত করার মতো বিষয়গুলো বাংলাদেশের হাজার বছরের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন,জাতিসংঘ এসব বিষয়কে ভিত্তি করে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করবে, যা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, বিদেশে কর্মসংস্থান, ভ্রমণ ও পর্যটনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।তিনি আরও বলেন, এসব মতাদর্শ প্রচারে জাতিসংঘ নানা কৌশল নেবে এবং তা সমাজে প্রতিরোধ সৃষ্টি করবে, যা আবার নেতিবাচকভাবে বিশ্বে তুলে ধরা হবে।তাই জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের কার্যালয় স্থাপন দেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে তিনি মনে করেন এবং এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান।

You might also like