ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ রাজনৈতিক ফ্যাসিবাদের বাপ

এ এম ফারহান সাদিক 

 

দিন যত যাচ্ছে – নতুন নতুন রূপে সব আসছে। আওয়ামিলীগ নির্বাচন করতে পারবেনা ৩০%-৪০% (বর্তমান বুদ্ধিজীবিদের মতে) ভোট থাকার পরও। জাপা পারবেনা কারন তারা নাকি আওয়ামীলীগের দোসর। বামদের নতুন নাম তো কালচারাল ফ্যাসিস্ট।

তাহলে বাকি কারা থাকে? তারা কারা আসলে?
এক বিএনপি – যারা দুর্নীতিতে ৫ বার চ্যাম্পিয়ন আবার ২১ আগস্টের মতো ঘটনা ঘটিয়েছে।
আর থাকবে অন্য একটা দলের কয়েকটি সংস্করণ।
যারা আওয়ামী লীগের ভিতরে যেরকম ইনফিলট্রেশন করেছে – বিএনপি কিছু বুঝার আগেই দলের বারোটা বাজিয়ে দিবে।

সারাদিন গাজায় কি হচ্ছে দেখে দেখে কতো আল্লাহর কাছে নালিশ দেখি। অথচ লাভ দেখলে এসব যারা করছে তাদেরকেই কুর্নিশ করে নিয়ে আসে এই ধর্ম ব্যবসায়ীরা। মুসলমানদের এই হিপোক্রেসি তাদের শত শত বছরের জন্য নিপীড়নের গিনিপিগ বানিয়ে রেখেছে আর রাখবেও।

এখন নির্বাচনের কথা বলা হচ্ছে একটা প্রলেপের মতো। আগের সরকারের নির্বাচন নিয়ে তর্ক বিতর্ক অনেক আছে- কিন্ত বাকি দলগুলো এটা নিয়ে কথা বলেছে।
আর এখন পুরোটাই অন্য ফরম্যাট। সব দল যদি একটা দলই হয়, আর সকল ইন্সটিটিউট যদি সেই প্রলেপের অন্তর্ভুক্ত হয়, তাহলে নির্বাচন ফেয়ার হওয়া আর না হওয়ার মধ্যে কোন পার্থক্য থাকেনা। অপোনেন্ট নাই, সবাই এক দলেরই ভিন্ন ভার্শন।

জনগনের আসল চাওয়ার প্রতিফলন ঘটছে কিনা কেউ জানবেনা। সংস্কারের মতো শুধু জানিয়ে দেওয়া হবে। ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ রাজনৈতিক ফ্যাসিবাদের বাপ। কারন পাপাচার যাই হোক, কিছু বুঝুক আর না বুঝুক – তাদের জোর দেখাতেই হবে।

হায়রে বেক্কল বিএনপি। তোমাদের এখন দরকার তাই এতো অসহ্য ন্যাক্কারজনক কাজ করার পরও তোমাদের নিয়ে তেমন প্রতিবাদ নেই। এর কারন – বিএনপি দল নয়, গুটির চাল। নির্বাচন আসতে আসতে বিএনপির প্রায় অর্ধেক কিছু বুঝার আগেই হাতছড়া হয়ে যাবে। আদর্শে ভাগ বসালে মার্কা কোন ব্যাপার না।

আওয়ামী লীগ, জাপা, বাম (কালচারাল দোসর) কেউ নাই। তাহলে সর্বদলীয় বৈঠক কাদের নিয়ে হচ্ছে?
মহান মুক্তিযুদ্ধের গণহত্যার দোসর জামাত তার সুযোগ কাজে লাগাবেই। কিন্ত এখন যা করা হচ্ছে ~ বাংলাদেশের তামাশাপ্রিয় মানুষ তার মজা নিচ্ছে । কিন্ত কি করতে যাচ্ছে সামনে – তার কোন বোধ এদের নাই। তারা বুঝলেও বলবে না, কারন ইগো তাদের আটকে রাখে। কোন মুখে এখন বলবে?

জনগণের কথা বললে জনগণের মতামত নিয়েই থাকতে হবে। মানুষ কি চায় সেটা এরকম কয়েকজন মানুষ কিভাবে বলে দেয়? কেউ কিছু বললেই তাদের মাইনাস করা হচ্ছে। সেদিন নুরের উপর হামলা দেখলাম পুলিশ আর আর্মি করলো। তাদের কার কি হয়েছে? উপদেষ্টারা স্টেটাস দিচ্ছে – সরকারকে নাকি দায় নিতে হবে। এরকম সার্কাস দেখেও মানুষ মজাই নিচ্ছে।

শেষমেশ একটা দলই থাকবে। আর থাকবে তার এ টিম, বি টিম। যে দল এখনো বাংলাদেশের সম্পুর্ন ভিন্ন দপিরিটের রুপাতর করতে চায়, যারা বাংলাদেশের সৃষ্টি কৃষ্টি কিছুই অউন করেনা ।

এই ফ্যাসিবাদ দেখার অপেক্ষায় থাকবেন, নাকি এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন? সিদ্ধান্তটা জনগণের কাছেই থাকলো…..।

You might also like