ধর্ম, প্রগতিশীলতা ও প্রকৃত মুসলমানের সংকট: বকধার্মিকতার বিপরীতে শাশ্বত মানবিকতা

চৌধুরী ফরহাদ

১.
সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের চেনা সমাজটিতে একটি গভীর ও উদ্বেগজনক রূপান্তর লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চারপাশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, চায়ের টেবিলের আলাপ কিংবা প্রকাশ্য জনপরিসরে তাকালে দেখা যায়, পরমতসহিষ্ণুতা শব্দটা যেন ক্রমশ অভিধান থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। আজকাল এক শ্রেণীর বকধার্মিক মানুষের কাছে সবচেয়ে সহজলভ্য এবং ধারালো অস্ত্র হয়ে উঠেছে অন্যকে ‘নাস্তিক’ বা ‘কাফের’ বলে সিল মেরে দেওয়া। ধর্মের নামে সমাজে জেঁকে বসা কোনো কুসংস্কার, ভণ্ডামি, অন্ধত্ব, সামাজিক অবিচার কিংবা ধর্মীয় ব্যবসার বিরুদ্ধে কেউ যুক্তিসঙ্গত ও যৌক্তিক প্রশ্ন তুললেই, তাকে সমাজচ্যুত বা অপদস্থ করার এক হিংস্র অন্ধ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। অথচ যিনি প্রশ্ন তুলছেন, তিনি হয়তো ধর্মের অবমাননা করছেন না; বরং ধর্মের পবিত্র খোলস পরা অসৎ ও ভণ্ড স্বার্থান্বেষী মহলের মুখোশ উন্মোচন করছেন। এই ঢালাও অপবাদের সংস্কৃতি সমাজকে কেবল চরমপন্থার দিকেই ঠেলে দিচ্ছে না, বরং ইসলামের যে মূল বাণী—উদারতা, প্রজ্ঞা এবং ইনসাফ—তাকে সমাজ-মানসে কালিমালিপ্ত করছে।

২.
এই সমাজ-সংকটের মূলে রয়েছে ‘নাস্তিকতা’ শব্দটির অর্থ, সংজ্ঞা ও এর দার্শনিক গভীরতা না বোঝার এক চরম অজ্ঞতা। তাত্ত্বিক ও শাস্ত্রীয় পরিভাষায় নাস্তিক (Atheist) হলেন কেবল তিনিই, যিনি মহাবিশ্বের একজন পরম সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহর অস্তিত্বকে সম্পূর্ণ ও সচেতনভাবে অস্বীকার করেন। কোনো অসৎ ধর্মীয় নেতার ব্যক্তিগত ভুল ধরিয়ে দেওয়া, ওয়াজ মাহফিলের নামে চলা অবৈজ্ঞানিক রূপকথা বা উগ্রতার প্রতিবাদ করা কিংবা ধর্মের নামে জিইয়ে রাখা কোনো কুপ্রথার বিরুদ্ধে কথা বলা মোটেও নাস্তিকতা নয়। ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস এবং আকিদার একটি অমোঘ সত্য হলো, যে ব্যক্তি জীবনে অন্তত একবারের জন্যও অন্তরে আল্লাহকে বিশ্বাস করেছে এবং মুখে তার সাক্ষ্য (শাহাদাহ) দিয়েছে, তাকে ইসলাম থেকে খারিজ বা ‘মুরতাদ’ ঘোষণা করার বিন্দুমাত্র অধিকার কোনো সাধারণ মানুষের নেই। মানুষের অন্তরের প্রকৃত খবর কেবল অন্তর্যামী আল্লাহই জানেন। অথচ এক শ্রেণীর বকধার্মিক নিজেদের ‘ঈমানের আদালত’ এবং ‘সার্টিফিকেট’ দেওয়ার একমাত্র মালিক মনে করে বসে আছেন, যা চরম খোদাদ্রোহিতার শামিল। একজন মানুষের নিজের ঈমান বা বিশ্বাস কোনো মানুষের কাছে প্রমাণ করার বিষয় নয়, কারণ আল্লাহ ও বান্দার সম্পর্ক অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং নিবিড়।

৩.
ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য ঘাটলে দেখা যায়, যারা সামান্য কারণে, মতভিন্নতা বা রাজনৈতিক দ্বিমতের জেরে অন্য কোনো মুসলমানকে কাফের বা নাস্তিক বলে ডাকেন, তারা আসলে নিজেদের ঈমানকেই চরম ঝুঁকিতে ফেলছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্ট ভাষায় সতর্ক করে বলেছেন, “যদি কোনো ব্যক্তি তার কোনো মুসলিম ভাইকে ‘কাফের’ বলে অপবাদ দেয়, তবে এই কুফরি কথাটি দুজনের যেকোনো একজনের ওপর গিয়ে বর্তাবে। অর্থাৎ, যাকে বলা হলো সে যদি সত্যিই তেমন না হয়, তবে যে ব্যক্তি অপবাদটি দিল, সে নিজেই ঈমান হারাবে।” সুতরাং, কথায় কথায় অন্যকে নাস্তিক ট্যাগ দেওয়া ব্যক্তিরা কোনো ধর্মীয় দায়িত্ব বা ইমানের হেফাজত করছেন না, বরং তারা ইসলামের একটি অত্যন্ত গুরুতর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিজের অজান্তেই নিজেদের ঈমানকে ধ্বংস করছেন। এই ‘তাকফিরি’ মানসিকতা বা অন্যকে কাফের বানানোর প্রবণতা ইসলাম কখনো সমর্থন করে না।

৪.
আজকের সমাজে যারা আধুনিক চিন্তা করেন, বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ সংস্কারের কথা বলেন, তাদের অনেককেই বকধার্মিক গোষ্ঠী ‘প্রগতিশীল’ বলে গালি বা কটাক্ষের সুরে সম্বোধন করে। অথচ ‘প্রগতিশীলতা’ কোনো ধর্মহীনতা বা স্বেচ্ছাচারিতা নয়। প্রগতিশীলতা মানে হলো এমন এক মুক্ত, উদার ও বৈজ্ঞানিক চিন্তা-চেতনা, যা সমাজকে স্থবিরতা, কুসংস্কার এবং পশ্চাৎপদতা থেকে মুক্ত করে আলোর দিকে, সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। এই সংজ্ঞায় বিচার করলে, মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রগতিশীল আন্দোলন ছিল স্বয়ং ইসলাম এবং এর প্রতিষ্ঠাতা হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ প্রগতিশীল ও বৈপ্লবিক ব্যক্তিত্ব। তৎকালীন আরব সমাজ যখন কন্যাসন্তানকে জীবন্ত কবর দিত, নারীদের পশুর মতো পণ্য মনে করত, দাসপ্রথায় মানুষকে আমৃত্যু শৃঙ্খলিত করে খাটাত—তখন তিনি এসে এই পৈশাচিক প্রথাগুলো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছিলেন। নারীদের সম্পত্তিতে অধিকার, বৈবাহিক স্বাধীনতা ও সামাজিক আত্মমর্যাদা দেওয়া এবং দাসপ্রথার শৃঙ্খল ভাঙার সুনির্দিষ্ট রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক পথ তৈরি করার মাধ্যমে তিনি তৎকালীন পৌত্তলিকতা ও গোত্রীয় বৈষম্যের বিরুদ্ধে এক চরম বৈপ্লবিক প্রগতির জন্ম দিয়েছিলেন, যা সেই সময় কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।

৫.
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর এই প্রগতির মশাল বহন করেছিলেন তাঁর সুযোগ্য সাহাবি এবং পরবর্তীকালের মুসলিম মহামানবেরা। ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রা.) ছিলেন জ্ঞান, বিজ্ঞান, দর্শন ও মুক্তচিন্তার এক অনন্য বাতিঘর, যার প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা সমাজকে অন্ধ বিশ্বাসের বদলে যুক্তি ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করেছিল। আবার সাহাবি হযরত আবু যার গিফারি (রা.) ছিলেন সামাজিক সাম্য ও পুঁজিবাদের শোষণের বিরুদ্ধে এক আপসহীন কণ্ঠস্বর, যিনি ধনীদের অতিরিক্ত সম্পদ জমা করার তীব্র বিরোধিতা করে এবং গরিবদের অর্থনৈতিক অধিকার আদায়ের পক্ষে আমৃত্যু লড়াই করে ইসলামের সুমহান অর্থনৈতিক প্রগতিশীল রূপটি তুলে ধরেছিলেন। পরবর্তীকালে পারস্যের মহান সুফি কবি মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমী (রহ.) কিংবা মনসুর হাল্লাজের মতো সাধকেরা দেখিয়েছেন কীভাবে সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বাকাশে উঠে সর্বজনীন মানবিক ভালোবাসার মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার সন্ধান পাওয়া যায়। ইবনে সিনা, ইবনে রুশদ বা আল-ফারাবির মতো মুসলিম বিজ্ঞানীরা বিজ্ঞান ও দর্শনের যে মুক্ত ও প্রগতিশীল চর্চা করেছিলেন, তা-ই পরবর্তীতে অন্ধকার ইউরোপকে আলোড়িত করে আধুনিক রেনেসাঁর ভিত্তি স্থাপন করেছিল।

৬.
আমাদের এই ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসেও ইসলাম কোনো তরবারির জোরে বা অস্ত্রের ঝনঝনানিতে ছড়ায়নি, ছড়িয়েছে মহান সুফি সাধকদের প্রগতিশীল, উদার ও পরম মানবিক আচরণের মাধ্যমে। চিশতিয়া তরিকার প্রতিষ্ঠাতা হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রহ.) যখন আজমীরে আসেন, তখন ভারতীয় সমাজে জাতিভেদ প্রথা, অস্পৃশ্যতা এবং ছোঁয়াছুঁয়ির মতো সামাজিক কুসংস্কার চরম আকারে ছিল। তিনি জাত-পাত ও ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে অবহেলিত ও তথাকথিত নিচু শ্রেণির মানুষকে পরম মমতায় বুকে টেনে নিয়েছিলেন। তাঁর খানকার লঙ্গরখানায় ধনী-দরিদ্র, রাজা-প্রজা এবং হিন্দু-মুসলিম সবার একাসনে বসে আহার করার যে ব্যবস্থা ছিল, তা তৎকালীন শ্রেণীবিন্যস্ত সমাজব্যবস্থায় ছিল এক চরম বৈপ্লবিক ও প্রগতিশীল সামাজিক সংস্কার। দিল্লির হযরত নিজামুদ্দিন আউলিয়া (রহ.) এবং তাঁর প্রিয় শিষ্য আমির খসরু আধ্যাত্মিকতার সাথে সঙ্গীত, সাহিত্য ও স্থানীয় সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটিয়ে যে উদার মিশ্র সংস্কৃতির (গঙ্গা-যমুনা তাহজিব) জন্ম দেন, তা সমাজে দীর্ঘস্থায়ী ধর্মীয় সম্প্রীতি এনেছিল। বাংলার মাটিতে হযরত শাহজালাল (রহ.) কিংবা খান জাহান আলী (রহ.)-এর মতো সুফি সাধকেরা কেবল উপাসনা করেননি; তারা রাস্তাঘাট নির্মাণ, শত শত দিঘি খনন করে সাধারণ মানুষের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা এবং কৃষির ব্যাপক উন্নয়ন করে অবহেলিত মানবসমাজকে এক প্রগতিশীল ও উন্নত জীবনধারা উপহার দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে লালন শাহ বা হাছন রাজার মতো আধ্যাত্মিক সাধকেরা এই সুফি দর্শনে উদ্বুদ্ধ হয়েই গেয়েছেন সর্বজনীন মানবতার জয়গান।

৭.
উপমহাদেশের মুসলিম রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের দিকে তাকালেও আমরা প্রগতির এক গৌরবোজ্জ্বল ও আপসহীন অধ্যায় দেখতে পাই। উনিশ শতকে স্যার সৈয়দ আহমদ খান মুসলিম সমাজের চরম স্থবিরতা, অন্ধ গোঁড়ামি ও ইংরেজি শিক্ষার প্রতি অবৈজ্ঞানিক বিরোধিতার দেয়াল ভেঙে আধুনিক বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ইংরেজি শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে আলিগড় আন্দোলন গড়ে তোলেন, যা মুসলিম পুনর্জাগরণের ভিত্তি ছিল। নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী এবং বেগম রোকেয়ার মতো মুসলিম মহীয়সী নারীরা সমাজ ও বকধার্মিকদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে, পর্দার অন্তরালে থাকা মুসলিম নারীদের ঘরের বাইরে এনে শিক্ষার আলো দেখিয়ে নারী জাগরণের এক নতুন প্রগতিশীল দিগন্ত উন্মোচন করেছিলেন। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক কৃষক-প্রজা আন্দোলনের মাধ্যমে এবং ‘ঋণ সালিশী বোর্ড’ গঠনের মাধ্যমে জমিদারী প্রথার অমানবিক শোষণ থেকে বাংলার সাধারণ মেহনতি ও নিঃস্ব কৃষককে মুক্ত করে এক বৈপ্লবিক প্রগতির জন্ম দেন। আর আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর প্রগতিশীল, সাম্যবাদী ও অসাম্প্রদায়িক লেখনীর মাধ্যমে সমাজের জাত-পাত, কুসংস্কার এবং ধর্মীয় ভণ্ডামির বিরুদ্ধে আজীবন আপসহীন বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন। মৌলবাদ ও ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তাঁর কবিতা ও গান ছিল চরম প্রগতিশীলতার ঐতিহাসিক দলিল।
৮.
তাহলে প্রশ্ন জাগে, ইসলামের দৃষ্টিতে প্রকৃত মুসলমানের পরিচয় ও চরিত্র কেমন হওয়া উচিত? ‘মুসলমান’ শব্দের মূল অর্থই হলো—যিনি আল্লাহর কাছে নিজেকে সম্পূর্ণ সমর্পণ করেছেন এবং যার হাত ও মুখ (আচরণ ও বক্তব্য) থেকে অন্য সব মানুষ সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকে। ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশ হলো, একজন প্রকৃত মুসলমানের চরিত্র ও আচরণ হবে সমাজে সবার জন্য অনুকরণীয় ও নিরাপদ আশ্রয়ের মতো। মুসলমান কখনো কটুভাষী, গালিবাজ, পরনিন্দাকারী, অহংকারী বা অপবাদকারী হতে পারে না। তার ভাষা হবে নম্র, সত্য, সুন্দর ও প্রজ্ঞাপূর্ণ। একই সাথে, অমুসলিমদের প্রতি মুসলমানদের কর্তব্য অত্যন্ত কঠোর ও স্পষ্ট। ইসলামে ধর্মে কোনো জবরদস্তি নেই, তাই অমুসলিমদের তাদের নিজ নিজ ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া এবং তাদের সাথে সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সততা ও ন্যায়বিচার বজায় রাখা ইসলামের মৌলিক ঈমানী শিক্ষা। পবিত্র কোরআনে তো অন্য ধর্মের উপাস্য বা বিশ্বাসকে অহেতুক গালি দেওয়া বা অবমাননা করাও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পরিশেষে কিছু কথা:
ধর্মের মূল উদ্দেশ্যই হলো মানুষকে নৈতিক, দয়ালু, সহনশীল, প্রগতিশীল এবং বিবেকবান করে তোলা। যারা ধর্মের বাহ্যিক লেবাস ধারণ করে সারাক্ষণ অন্যকে বিচার করতে ব্যস্ত থাকে, মানুষকে নাস্তিক বা কাফের ট্যাগ দিয়ে সমাজচ্যুত করার নোংরা খেলায় মেতে ওঠে, তারা আসলে ধর্মের মূল স্পিরিট বা আত্মাকেই বুঝতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। অপরের দিকে আঙুল তোলার আগে আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজের আত্মশুদ্ধি এবং চরিত্রের দিকে নজর দেওয়া। একজন প্রকৃত আস্তিক ও মুসলমানের পরিচয় তার পোশাকে, বাহ্যিক আড়ম্বরে বা সস্তা উগ্র স্লোগানে নয়, বরং তার সুন্দর চরিত্র, উদার মানসিকতা, প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি এবং সর্বজনীন মানবিক আচরণের মাধ্যমেই পৃথিবীতে প্রকাশ পায়। বকধার্মিকতার এই কৃত্রিম অন্ধকার ও সংকীর্ণতা ঠেলে আমাদের আবার সেই ইসলামের শাশ্বত, উদার, বৈজ্ঞানিক ও পরম প্রগতিশীল আলোর পথে ফিরে আসতে হবে—তবেই সমাজে শান্তি ও সাম্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

লেখক: কলামিস্ট ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক কর্মী।

You might also like