বন্যা সতর্কতা: দেশের ১২ জেলার জন্য দুঃসংবাদ
নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী
ঢাকাঃ ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে।মঙ্গলবার বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের দেয়া তথ্য অনুযায়ী,সিলেট,সুনামগঞ্জ,লালমনিরহাট, নীলফামারী,রংপুর,কুড়িগ্রাম,গাইবান্ধা,জামালপুর,বগুড়া,শেরপুর,ময়মনসিংহ, নেত্রকোণার বিভিন্ন স্থানে নদ-নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বা সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে।বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী দুদিন দেশের অভ্যন্তরে রংপুর,সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং সংলগ্ন উজানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।
বন্যা সতর্কতা
সিলেট ও সুনামগঞ্জ: পর্যবেক্ষণাধীন স্টেশনগুলোর মধ্যে কুশিয়ারা নদী ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) স্টেশনে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
রংপুর অঞ্চল (লালমনিরহাট,নীলফামারী,রংপুর,কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা): গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা,ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তা ও দুধকুমার নদীর কিছু স্থানে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে, যার ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা হতে পারে।এছাড়া ধরলা নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হয়ে লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত করতে পারে।ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকা (কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া): ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদের পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আগামী ৫ দিনে তা কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলায় সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। এর ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।নেত্রকোণা,শেরপুর ও ময়মনসিংহ: সোমেশ্বরী ও কংস নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নেত্রকোণার কিছু স্থানে সোমেশ্বরী নদী বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা দেখা দিতে পারে।এছাড়া আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভুগাই-কংস নদীসমূহের পানি শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় পৌঁছে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করতে পারে।