বিশ্বকাপ ফাইনালে যুক্ত হচ্ছে ‘হাফটাইম শো’
নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী
স্পোর্টস: এই গ্রীষ্মে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো হাফটাইম শো অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।ওয়াশিংটনে সেমাফর ওয়ার্ল্ড ইকোনমি সামিটে বক্তব্য দিতে গিয়ে ইনফান্তিনো বলেন, ‘ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ১৯ জুলাই নিউ জার্সিতে বিশ্বকাপ ফাইনালে আমরা হাফ টাইম শো আয়োজন করবো।নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। ইনফান্তিনো জানান, ব্রিটিশ পপ ব্যান্ড কোল্ডপ্লে এবং তাদের প্রধান গায়ক ক্রিস মার্টিন অনুষ্ঠানটি সাজানোর দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কারা পারফর্ম করবেন তা এখনই বলতে পারছি না, তবে একাধিক শিল্পী থাকবেন। এটি হবে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শো; দারুণ কিছু।’
যুক্তরাষ্ট্রের ক্রীড়াপ্রেমীরা হাফটাইম শোর সঙ্গে পরিচিত, বিশেষ করে সুপারবোলের মাধ্যমে। তবে ফিফার এই উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে এই ধরনের আয়োজনের জনপ্রিয়তা আরও বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।ফুটবলে অবশ্য ১৫ মিনিটের বিরতিতে সংগীত পরিবেশনা খুবই বিরল। এর অন্যতম কারণ, অনেক সমর্থক এই ধরনের বিনোদন পছন্দ করেন না। ২০১৭ সালে ডিএফবি কাপ ফাইনালে আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট ও বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের ম্যাচে জার্মান পপ তারকা হেলেন ফিশারকে দিয়ে হাফটাইম শো করানো হয়েছিল। কিন্তু অলিম্পিক স্টেডিয়ামে অনেক সমর্থক তখন জোরে দুয়ো দেন।পরে হেলেন ফিশার বলেন, ‘একজন সংগীতশিল্পীকে মাঝে মাঝে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতেই হয়। এত বছরে আমার চামড়া মোটা হয়ে গেছে, আর গতকালের পর তো আরও শক্ত হয়েছি। একজন শিল্পী হিসেবে দাঁড়িয়ে সেই ঘনীভূত টেস্টোস্টেরনের শক্তি অনুভব করা ছিল ভিন্ন অভিজ্ঞতা।’তিনি আরও বলেন, ‘আমি এটাকে খুব খারাপভাবে নিইনি। তাদের ক্ষোভ ছিল; তারা কোনো বিনোদন চায়নি।সূত্র: গোলডটকম