স্মৃতির দর্পণে কুলাউড়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ
ইফতেখারুল হক পপলু
পুনর্মিলনী! এ যেন এক স্মৃতি জাগানিয়া অনুভূতি,ফিরে যাওয়া সেই প্রিয় ক্যাম্পাসে,প্রিয় সহপাঠী আর পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের কাছে যারা মন প্রাণ দিয়ে আমাদেরকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করেছেন।৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের এক উত্তাল সময়ে শিক্ষার আলো ছড়ানোর ব্রত নিয়ে বিপুল জনসংখ্যা অধ্যুষিত কুলাউড়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় কুলাউড়া কলেজ। পরবর্তীতে এটি ডিগ্রি কলেজে রূপান্তরিত হয়। পর্যায়ক্রমে চালু হয় অনার্স কোর্স। আর বর্তমানে এটি সরকারি কলেজ।তৎকালীন সময়ে কুলাউড়াসহ বড়লেখা ও রাজনগর উপজেলার উচ্চ শিক্ষার একমাত্র প্রতিষ্ঠান ছিল এই কলেজ। সেই হিসেবে ৬ একর ভূমির উপর প্রতিষ্ঠিত কলেজের বয়স প্রায় ৫৬ বছর। সময়ের এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় কুলাউড়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ অসংখ্য প্রতিভাবান মানুষ তৈরি করেছে। জীবনের সীমা ছাড়িয়ে স্ব স্ব মহিমায় তারা যেমন দেশকে করছেন সমৃদ্ধ তেমনি তাদের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলছেন।
৫ দশকের স্মৃতিকে ধারণ করে কলেজের মাননীয় অধ্যক্ষ প্রফেসর ডঃ মুহম্মদ আলাউদ্দিন খান এর উদ্যোগে গঠন করা হয়েছে কুলাউড়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। মূলত কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্পর্কের সেতু বন্ধন এবং কলেজ তথা সমাজের কল্যাণে কাজ করার মহান উদ্দেশ্য নিয়েই গঠিত হয়েছে এই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। আর এই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ১০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কুলাউড়া সরকারি ডিগ্রি কলেজের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান। পুনর্মিলনীকে ঘিরে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার শিক্ষার্থী আনন্দে উচ্ছ্বসিত হচ্ছেন, খুঁজে নিচ্ছেন হারিয়ে যাওয়া বন্ধুকে। এ এক অন্যরকম অনুভুতি।১৯৯৩ সালে রাউৎ গাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আমি এসএসসি পাশ করি। তখনকার সময়ে উপজেলা সদরের সাথে গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল খুবই অনুন্নত। ১৭ টি ইউনিয়ন অধ্যুষিত কুলাউড়া উপজেলার উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার একমাত্র প্রতিষ্ঠান কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজ। আমার বড় ভাই বরমচাল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ফজলুল হক তখন বড়লেখা ডিগ্রি কলেজে আর ভাবি রহিমা সুলতানা সেফা কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক। তাঁরা কুলাউড়া শহরের মাগুরায় বসবাস করতেন। এমনই এক সময়ে এসএসসি পাশের পর গ্রামের কাদামাটিতে বেড়ে উঠা এই আমি পা বাড়ালাম উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হতে শহরের পথে। ভাবি একদিন আমাকে নিয়ে গেলেন কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজে। ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হল। ভাবি কলেজের শিক্ষক হওয়ার সুবাদে প্রথম দিনেই পরিচয় হল কলেজের পরম শ্রদ্ধেয় অধ্যক্ষ ইউসুফ আলী স্যারের সাথে। সেই যে পরিচয় হল তারপর থেকেই ইউসুফ আলী স্যার আমার কাছে বিস্ময় ভরা এক মানবিক ও অসাধারণ ব্যক্তিত্বের মানুষ হয়ে রইলেন। আজও স্যারের স্মৃতি আমাকে ভীষণভাবে আবিষ্ট করে।
কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজের সাথে আমার ও আমার পরিবারের রয়েছে দীর্ঘ সম্পর্কের সেতুবন্ধন। ভাবির কর্মস্থলের সুবাদে এই কলেজের বহু ঘটনার সাথে আমাদের যেমন ছিল উদ্বেগ উৎকণ্ঠা তেমনি মনে ছিল বহু আনন্দ উচ্ছ্বাস। কলেজের যে কোন সফলতায় যেমন আমরা আনন্দিত হয়েছি তেমনি যে কোন ঘটনা দুর্ঘটনায় আমরা হয়েছি উৎকণ্ঠিত।ক্লাস শুরু হলে আমি কুলাউড়া শহরের মাগুরায় ভাইয়ের বাসায় চলে আসি। শুরু হয় আমার শহুরে জীবন। কুলাউড়া শহর তখনও এত বড় আর এত ব্যস্তময় হয়ে উঠেনি। শহরে হাতেগোনা কিছু বাসা বাড়ি। সবাই সবাইকে চেনেন। শান্ত নিরিবিলি একটা পরিবেশ। কিন্তু শহরের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলটা ছিল বেশ সুসংঘটিত। আমারও সেই পরিমণ্ডলের সাথে যোগাযোগটা বাড়তে লাগলো।
১৯৯৩ সালে আমরা উপজেলার বিভিন্ন স্কুলের একটা বিপুল অংশ এসে কুলাউড়া কলেজে বিজ্ঞান মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগে ভর্তি হলাম। তখন গ্রাম থেকে শিক্ষার্থীরা বাসযোগে এসে কুলাউড়া স্কুল চৌমুহনীতে নেমে পায়ে হেঁটে কলেজে যেতেন। আর যারা শহরে থাকতেন তারা অধিকাংশই কখনো রিকশায়, কখনো দলবেঁধে হেঁটে কলেজে যেতেন। কখনো একই রিক্সায় দুজন ভাড়া ভাগাভাগি করতেন।স্মৃতি যদি ভুল না করে তখন রিকশা ভাড়া দক্ষিণ বাজার থেকে স্কুল চৌমুহনী পর্যন্ত ছিল ৪/৫ টাকা। একদিন দক্ষিণ বাজারের মুখে সাদা টি-শার্ট পরিহিত এক সুদর্শন শিক্ষার্থী আমাকে হাত ইশারায় ডেকে তাঁর রিক্সায় তুলল। কুশল বিনিময়ের পর তার নাম আতিক বলে জানলাম। তাঁর পিতা তখন দক্ষিণ বাজারের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। সেই থেকে আতিকের সাথে শুরু হওয়া বন্ধুত্ব আজও অমলিন। জীবনের সবচেয়ে বিপদ সংকুল সময়েও আমি যার উপর পরমনির্ভরতায় ভরসা করতে পারি সেই আমার বন্ধু আতিক। বলতে গেলে কুলাউড়া কলেজ আমাকে এরকম এক চমৎকার বন্ধু পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। আতিকের সূত্র ধরে পরিচয় হলো শহরের আরেক প্রতিষ্ঠিত পরিবারের সন্তান আলমের সাথে। কুলাউড়া শহরে তখন ভরসা করার মতো আমার দুই বন্ধু জুটে গেল। যদিও সেই বন্ধু তালিকা এক সময় বাড়তে বাড়তে অনেক দীর্ঘ হয়েছে। একই সাথে তৈরি হয়ে গেল রাজনৈতিক সম্পর্কের আরেকটা পরিমণ্ডল।
আমাদের সময় কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন প্রফেসর ইউসুফ আলী ও উপাধ্যক্ষ ছিলেন প্রফেসর এম এ গনি। কলেজের সম্মানিত শিক্ষক হিসেবে আমরা যাদেরকে পেয়েছি তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন যথাক্রমে সর্ব জনাব আব্দুল মছব্বির, কিশলয় আচার্য্য, মোদারিছ আলী, আকমল হোসেন, নুরুল ইসলাম খান, ফরিদা বেগম, মাহবুবা বেগম মীরা, হারুনুর রশিদ, ওয়াহিদ উদ্দিন, মনতোষ রায়, সিথি সেন, কাজী একরামুল হক, মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, জাফর আলী, বিজয় ভূষণ দাস, সৌম্য প্রদীপ ভট্টাচার্য সজল, আবুল কাশেম, রহিমা সুলতানা সেফা, সিপার উদ্দিন, মোশাররফ আলি, অমর চাঁদ নাথ প্রমুখ।
অধ্যক্ষ মরহুম ইউসুফ আলী
আর উপাধ্যক্ষ মরহুম এম এ গনি স্যার প্রশাসনিকভাবে কলেজ পরিচালনায় অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন। ইউসুফ আলী স্যার খুবই কোমল হৃদয়ের মানুষ আর এম এ গনি স্যার খুবই কঠোর স্বভাবের মানুষ ছিলেন। কিন্তু জীবন বাস্তবতায় আজকে এসে মনে হয় তাদের দুজনের যৌথ উদ্যোগ কলেজ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ইউসুফ আলী স্যারের সাথে সুখ দুঃখের কথা বলা যেত খুব সহজে। যে কাউকে খুব সহজে আপন করে নিতে পারতেন তিনি। আর গনি স্যারের কাছাকাছি যাওয়া যেত না ভয়ে। স্যার সারাদিনই কলেজ ক্যাম্পাস ঘুরে দেখতেন, খোঁজ খবর নিতেন। আমরা দূরে থাকলে কি হবে স্যার নিজেই এসে দায়িত্বশীলতার সাথে সেই দূরত্ব গুছিয়ে নিতেন। কলেজ পরিচালনায় একজনের কোমলতা আর আরেকজনের কঠোর শৃঙ্খলা মিলে কলেজ ক্যাম্পাস কে করেছিল প্রশাসনিক ও একাডেমিকভাবে সমৃদ্ধ।
মূলত আমাদের সময়ে প্রত্যেক শিক্ষকই ছিলেন আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জল। যদিও আমি মানবিক বিভাগের ছাত্র তথাপি ভাবির পরিচয়ের সূত্র ধরে বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষকদের সাথেও আমার এক নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। অধ্যক্ষ ইউসুফ আলী স্যার মাঝে মাঝে ক্লাস নিতেন। স্যারের বিশেষত্ব ছিল যেকোনো পরিস্থিতিতে যে কোন বিষয়ের উপর তিনি ক্লাস নিতে পারতেন। ছাত্রদের আকৃষ্ট করার এক অসাধারণ সম্মোহনী শক্তি ছিল স্যারের। ফরিদা আপার ক্লাস ছিল ধীরস্থির আর শান্ত স্বভাবের। সিথি সেন ম্যাডামের বাংলা ক্লাস ছিল চমৎকার হাস্যরসে ভরপুর। কাজী একরামুল হক স্যার চমৎকার লম্বা সুরে ইসলামের ইতিহাস পড়াতেন। কলেজের লাইব্রেরির পাশের একটি রুমে থাকতেন স্যার। একদিন শতশত শিক্ষার্থীকে কাঁদিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসেই চির বিদায় নিলেন তিনি। তৎকালীন সময়ে অবরোধের কারণে তাঁর মরদেহ নিকট আত্মীয়দের কাছে পাঠানো সম্ভব হয়ে ওঠেনি। ফলে তার পরিবার ও কলেজ কর্তৃপক্ষের যৌথ সিদ্ধান্তে কাজী একরামুল হক স্যারকে কলেজের পার্শ্ববর্তী মমরেজপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। ইংরেজি ক্লাসে জাফর স্যার ছিলেন কঠোর স্বভাবের আর ইংরেজির মত কঠিন বিষয় কে চৌকোষ ভঙ্গিমায় ছাত্রদের মাঝে বোধগম্য করে তুলতেন বিজয় ভূষণ স্যার। দর্শনের মত গুরু গম্ভীর জটিল বিষয়কে খুব সহজেই আমাদের বোঝাতে সক্ষম হতেন হারুনুর রশিদ স্যার।
আমাদের সময়ে কুলাউড়া কলেজে ছাত্র সমাজের বিভিন্ন মৌলিক দাবিতে ছাত্র সংগঠনগুলোর সভা সমাবেশ ছিল চোখে পড়ার মতো। তখন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশাল আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতো নবীন বরণ অনুষ্ঠান। একই সাথে ছাত্র সংগঠনগুলোর কলেজ শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতো নবীন বরণের দিনে। ঢাকা থেকে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিষ্ঠিত জনরা এসব নবীন বরণে উপস্থিত থাকতেন। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা নবীন বরণে শুভেচ্ছা বক্তব্য দিতেন। ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারাও ঢাকা থেকে আসতেন। দীর্ঘ সময় ধরে বক্তৃতা করতেন তারা। কয়েক শত শিক্ষার্থী নবীন বরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রমুগ্ধের মতো নেতাদের কথা শুনতেন। ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতাদের মাঝে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতা ছিল দৃশ্যমান। আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের ছাত্র বেতন ও পরীক্ষার ফিস পরিশোধের ক্ষেত্রে ছাত্র সংগঠনগুলো বিশেষ সহায়ক ভূমিকা রাখত। বলতে গেলে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া কলেজের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলটা ছিল সমৃদ্ধ।
কুলাউড়া কলেজে ছাত্র ইউনিয়নে যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে আমার রাজনৈতিক জীবন যেমন বিকশিত হয়েছে তেমনি বন্ধু প্রতিম ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতৃত্বের একটা বড় অংশকেও আমার জীবনের সাথে করেছে সম্পৃক্ত। মতাদর্শগত দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতা সত্বেও তাদের সাথে চমৎকার ব্যক্তিগত সম্পর্ক আজও অটুট রয়েছে আমার।পড়াশোনা ও চাকুরীর সুবাদে দীর্ঘদিন সিলেট আর পরবর্তীতে প্রবাসে থাকার কারণে আমার প্রিয় ক্যাম্পাসে যাতায়াত নেই বহুদিন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠিত হওয়ার পর থেকে প্রতিদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পুনর্মিলনী এবং রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম দেখে আবেগ আপ্লুত হচ্ছি। প্রবাসের ব্যস্তময় যাপিত জীবনেও ফিরে যাচ্ছি স্মৃতির সেই প্রিয় ক্যাম্পাসে। গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণে আসছে আমাদের প্রিয় শিক্ষক মন্ডলীকে। ইতিমধ্যে যে সকল শিক্ষক মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। আর যারা জীবিত আছেন তাদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
প্রথমবারের মতো কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজের পুনর্মিলনী দেশ এবং প্রবাসে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার শিক্ষার্থীর মনে কলেজের স্মৃতি আর শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মন্ডলীকে হৃদয়ের ভালোবাসায় আরেকবার সিক্ত করবে বলেই আমার বিশ্বাস। প্রবাস থেকে পুনর্মিলনীর সফলতা কামনার পাশাপাশি পুনর্মিলনীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছি। যাদের মেধা ও শ্রমে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তাদের প্রতি রইল অশেষ কৃতজ্ঞতা।আমরা একসাথে, আমরা এগিয়ে এই আহবানের মধ্য দিয়ে কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজের পুনর্মিলনী সম্প্রীতি আর ঐক্যের বন্ধনকে সমৃদ্ধ করুক এই প্রত্যাশা।
ইফতেখারুল হক পপলু: প্রাক্তন ছাত্র