মকবুল চৌধুরীর ‘মামুন: ইন প্রেইজ অফ শ্যাডোস’-এর বেস্ট ডুকুমেন্টারি ফিল্ম পুস্কার লাভ
নিউজ ডেস্ক
সত্যবাণী
যুক্তরাজ্য: গত ৩রা মে UK Asian Film Festival এ বেস্ট ডুকুমেন্টারি ফিল্ম পুস্কার লাভ করেছে বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা,চিত্রনাট্যকার,ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট এবং ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর মকবুল চৌধুরী নির্মিত ডুকুমেন্টারি ফিল্ম Mamun: In Praise of Shadows ( ছায়াবন্দনা ).
বাংলাদেশের অগ্রণী প্রতিকৃতি আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুনের জীবনীমূলক বিবরণের উপর ভিত্তি করে নির্মিত ডুকুমেন্টারি ফিল্ম The Garden Cinema তে বিকাল ৪:২০ মিনিটে প্রদর্শিত হয়।এতে বিপুল সংখ্যক দর্শক উপস্থিত হন.প্রদর্শনী শেষে প্যানেল ডিসকাশন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে জনাব মকবুল চৌধুরী বলেন,এটা সম্পূর্র্ণ ব্যক্তিগত ভালোবাসা থেকে নাসির আলী মামুনের জন্য করা. কিন্তু বিভিন্ন প্রদর্শিতে যেভাবে দশর্কদের মাঝে সাড়া দিয়েছে তা সত্যই অভাবনীয়।বেস্ট ডুকুমেন্টারি ফিল্ম পুরস্কার লাভের প্রতিক্রিয়া বলেন,এতোগুলো ডুকুমেন্টারি ফিল্ম মধ্যে প্রতিযোগিতায় আমার ডুকুমেন্টারি ফিল্ম পুরস্কার লাভে অবাক যেমন হয়েছি তেমনি আনন্দে কান্না চলে আসার মতো অনুভূতি হয়েছে। তিনি আরো বলেন,ব্যক্তিফান্ডে করা ভালোবাসা দিয়ে করা নির্মিত ফিল্ম যখন UK Asian Film Festival এ বেস্ট ডুকুমেন্টারি ফিল্ম পুস্কার লাভ করে তা বিট্রিশ বাঙালী হিসেবে গর্বের।

এখানে উল্লেখ্য উক্ত ফিল্মটিতে আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুনের শৈল্পিক যাত্রার এক অন্তরঙ্গ ইতিবৃত্ত, যিনি তাঁর অসাধারণ ও আবেগঘন শৈলীর জন্য প্রশংসিত। এটি কেবল একটি জীবনীমূলক বিবরণ নয়,বরং চলচ্চিত্রটি সেই নান্দনিক ও দার্শনিক শক্তিগুলোর এক সৃজনশীল অনুসন্ধান,যা মামুনের কাজকে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চেও গভীরভাবে তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।বিশেষজ্ঞদের সাথে অন্তরঙ্গ সাক্ষাৎকার এবং মামুনের নিজের অকপট ভাবনার মাধ্যমে পরিচালক মকবুল চৌধুরী একটি অত্যন্ত ব্যক্তিগত অথচ সমালোচনামূলক পর্যবেক্ষণমূলক আখ্যান তৈরি করেছেন।তাঁর লেন্স পরিচালিত হয়েছে এক সত্যসন্ধানী শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা,যা আলোকচিত্রীর জীবন এবং তাঁর প্রতিকৃতিতে ধারণ করা জীবনগুলোর মধ্যে প্রবাহিত লুকানো স্রোতধারাকে উন্মোচন করে।
